" রায়হান হালকা হাসল, "আগে নামাজটা পড়ে আসি, তারপর দেখা যাবে।
"কি মিস ইনায়া, ঘুমিয়ে পড়েছিলেন নাকি?
"না, ঘুমাইনি। বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলাম, তাই ধরতে দেরি হলো।
"ঠিক আছে, সমস্যা নেই। ভাবলাম ঘুমিয়ে গেলেন বুঝি।
"আচ্ছা মিস ইনায়া, আজ আমার সাথে একটু দেখা করবেন? আপনার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।
" ইনায়া চুপ। আম্মু তো বের হতে দেবে না। চিন্তার ভাঁজ পড়ল কপালে।
ওপাশের নীরবতা বুঝতে পেরে রায়হান আশ্বাস দিল,
"মিস ইনায়া, বের হওয়া নিয়ে ভাববেন না। আরুকে পাঠাব। ও ঠিক ম্যানেজ করে নেবে।
" কথায় কথায় ওরা টেরই পেল না, কলেজ আর অফিসের সময় গড়িয়ে যাচ্ছে।
হঠাৎ ফারহানা বেগমের গলা, "এই ইনায়া! উঠ, কলেজে যাবি না? আর কত ঘুমাবি?
"আম্মু উঠেছি। এখনি রেডি হয়ে আসছি, তুমি যাও।
আরিশা দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরল, "কিরে ইনু! আজ তোকে এত খুশি খুশি লাগছে কেন? ঘটনা কি বল তো?
" আরু সাথে সাথে চিৎকার, "কিইইইইই! হারামি, আমাকে আগে বলিস নাই কেন? আমি কি তোর কেউ না?
" ঘুম ভাঙল আরুর ডাকে। দরজায় দাঁড়িয়ে আরিশা হাসছে, চোখে দুষ্টুমি,
"মহারানী, উঠুন। আপনাকে নিতে এসেছি। সারপ্রাইজের সময় হয়ে গেছে।