কিছু একটা করবো করবো, তালপাতার সেপাই আমি,
কিছুই করা হয়নি, দায় খাটুনি আর ইচ্ছার মাঝামাঝি।
সময়ের সুতা ধরে পেছনে এগুতে চেয়েছি কল্পনায়,
গত পরশু তরশু করে একদিন দেখবো আত্মজন্ম
দেখতে পাবো জন্মাচ্ছি আমি মায়ের জঠর থেকে।
একজন্ম দুইজন্ম করে সাতজন্মে দেখে নেবো মায়ের মুখ,
ভাবনা ধরে রাখতে পারিনা সুতা ছিড়ে গেছে বারবার,
জন্ম দেখা হয়নি আমার।
চোখ বন্ধ করে পথ চলতে চেয়েছি আবার অনেকবার
একপা দুইপা করে একদিন হবো আলোহীন স্বাচ্ছন্দ্য।
তখন আমি অন্ধ হয়ে গেলে কিংবা পুরো মহাকাশ জুড়ে
ঘোর অমাবস্যায়ও পথ চিনে হেঁটে যাবো ছায়াপথ ধরে।
হোঁচট খেয়ে পড়ে থাকি দাঁড়াতে পারিনা আর,
অন্ধ হওয়া হয়নি আমার।
দমের খেলায় ফুসফুসের সাথে লুকোচুরি খেলেছি কত
একটু একটু করে প্রতিদিন নিঃশ্বাস জমা করেছি বুকে।
একদিন সব জমানো নিঃশ্বাস নিয়ে দম বেঁধে রাখবো,
নাক ভরে কৃষ্ণচূড়া কিংবা মেহেদী পাতার ঘ্রাণ নিতে
হয়তো দম খুললেও খুলতে পারি তবে নিঃশ্বাস নিতে নয়।
বাতাসের সাথে পারিনা শক্তি নেই সে যুদ্ধ লড়ার,
শ্বাসহীন হওয়া হয়নি আমার।
হৃৎপিন্ডের ধুকপুকানি কমিয়ে বাড়িয়ে পরীক্ষা করেছি,
সিস্টোল ডায়াস্টোল কমাতে কমাতে চাপহীন হবে সে।
তারপর আমি হৃদয়হীনের মত বেঁচে থাকতে পারবো,
বুঝবোনা চোইত-বোশেখে বুকপকেটে নোড়াপোড়া।
থামাতে পারিনা আশ্বিনের গাস্সির গন্ধে বুকের মোচড়
হৃদয়হীন হওয়া হয়নি আমার।
কিছু একটা করবো করবো করে, করা হয়নি কিছুই
তবে কিছু একটা করবো কিন্তু করা হয়ে ওঠেনা কিছুই।