ঠিক তখনই আবার *কলিংবেল* বাজল —
ইনায়া ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরল। নিজেকে নরমাল দেখানোর ট্রাই করল। কিন্তু হাত-পা তো কাঁপছে।
"কিরে? এতক্ষণ লাগে দরজা খুলতে?
ইনায়া মাথা নিচু করে ফেলল, "সরি আম্মু... ওয়াশরুমে ছিলাম।
" আম্মু ঘরে ঢুকলেন। রান্না ঘরে যেতে যেতে বললেন "ইহান কই? খাইছে?"
ফারহানা বেগম মেয়ের দিকে তাকালেন। চোখ সরু করে দেখলেন, "তোর চোখমুখ এমন দেখাচ্ছে কেন?
" কিছু না। একটু ঘুম দরকার। ঘুমালে ঠিক হয়ে যাবে।
ফারহানা বেগম আর কিছু বললেন না।
" তুমি বসো। আমি পানি নিয়ে আসি।
বুক ধড়ফড় করতে করতে লাগলো কাপতে কাপতে পানির গ্লাসটা নিয়ে আসলো।
"এই নাও আম্মু," কাঁপা হাতে বাড়িয়ে দিল।
ফারহানা বেগম গ্লাসটা নিয়ে ঢকঢক করে পুরাটা শেষ করলেন।
তারপর আবার মেয়ের মুখের দিকে তাকালেন। একদম চোখে চোখ রেখে।
" কিচ্ছু না। বললাম তো।ইনায়ার মুখে রাগ।
ফারহানা বেগম আর কিছু বললেন না। শুধু গ্লাসটা টেবিলে রেখে নিজের রুমের দিকে হাঁটা দিলেন।
ইনায়া বুকে ভয় নিয়ে ওখানেই দাঁড়িয়ে রইল।
একটু পর আম্মুর রুম থেকে কোন আওয়াজ আসলো না। লাইটও জ্বলল না। শুধু দরজা লাগানোর শব্দ — *খট*।
ইনায়া ধপ করে সোফায় বসে পড়ল। ঘামে ভিজে গেয়েছে।
" যাক বাবাহ! আজকের মতো বেচে গেলাম।
রাতটা ইনায়ার নির্ঘুমই কাটল। খালি এপাশ-ওপাশ। আর মাথায় হাজার টা প্রশ্ন।