নিঝুম রাতে থমকে গেছে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক,
চাঁদের আলোয় শ্যাওলা মাখা পুরনো ওই বাঁক।
বাতাস যেন থমকে দাঁড়িয়ে শুনছে কারো দীর্ঘশ্বাস,
অন্ধকারে নড়ছে কেন ওই কদম গাছের পাশ?
খটখটিয়ে খুললো যেন ভাঙা মন্দিরের দ্বার,
পায়ের শব্দ শোনা যায় কি? কেউ তো নেই আর!
ঠাণ্ডা এক হাত আলতো করে ছুঁলো কি তোমার পিঠ?
চমকে তাকিয়ে দেখলে শুধুই বিজন মরুদ্বীপ।
দূরে কোথাও পেঁচার চোখে জ্বলছে আগুনের শিখা,
কুয়াশার গায়ে অস্পষ্ট কোনো এক অর্বাচীন লেখা।
ছায়াগুলো আজ দীর্ঘ হয়ে পিছু নিচ্ছে তোমার,
একলা পথে ফিরছো কেন নেই তো ফেরার দ্বার!
বুকের ভেতর দুরুদুরু, হিম হয়ে যায় রক্ত,
অজানা ওই ঘ্রাণটা যেন ভীষণ রকম শক্ত।
আচমকা কেউ কানের কাছে ফিসফিসিয়ে কয়—
"ভয় নেই বন্ধু, এই আঁধারেই আসল পরিচয়।"
কবিতার অনুভূতি: এই কবিতাটি পড়ার সময় নির্জনতা আর এক অতীন্দ্রিয় উপস্থিতির কথা ভেবে পড়বেন, তাহলে এর প্রকৃত রোমাঞ্চ অনুভব করতে পারবেন। কেমন লাগলো আপনার এই শিহরণ জাগানো কবিতাটি?
This is a premium post.