গল্পের তৃতীয় অংশ নীলিমা নিলয়ের ঘরে ঢুকে দেখতে পেল সেখানে
সাপ দেখল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সাপটা নিলয়ের রূপ ধারণ করল। সে তো হত দোস্ত হয়ে পড়ল।তখনই নিলয় অজ্ঞান হয়ে গেল।নীলিমা যেন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। নিলয় যখন তার হুসে ফিরল।তখন সে নীলিমা কে ফুল দিয়ে প্রপোজ করল। নীলিমা তার ফুল গুলো মাটিতে ফেলে দিয়ে। তাকে বলল, তুমি যে নাগ তাও আবার ইচ্ছাধারী এটা তো কখনো আমাকে বলনি। নিলিমার কথা শুনে নিলয় অবাক হয়ে বলল, তুমি কি ঘুমের ঘোরে আবোল তাবোল কথা বলছ নাকি। নিলিমা বলল আমি যা বলছি সবই ঠিক। তখন নিলয় শরীরে যন্ত্রণা হতে লাগলো। তা কিছু বাদ তার কিছু ভাগ
খলস মাটিতে পড়ে গেল। নিলয় এতে অবাক হয়ে বলল তাহলে তুমি যা বলছো সব সত্যি। কিন্তু আগে আমি এ সম্পর্কে জানতাম না।তারপর নিলয় মা মা করে চিৎকার দিতে লাগলো।তার মা সেখানে উপস্থিত হয়ে বলল,কেন ডাকছিস রে ছেলে। বলল, মা তুমি আমার নিজের মা না। মা বলল হ্যাঁ অবশ্যই। নিলয় বলল তাহলে মা এসব কি আমি কিভাবে নাগ হলাম আজ তুমি সব সত্যি আমাকে খুলে বলবে। মা সত্যি ঘটনা বলতে শুরু বলল আমি তোকে একটা পুরনো ধ্বংসাবস্তের সামনে কুড়িয়ে পেয়েছিলাম এক বছরের শিশুটিকে সেই শিশুটি তুই। তারপর থেকে আমি তোকে এত বড় করি। নীলিমা তখন অন্য ঘরে চলে গেল। নিলয় তার ঘরে ভাঙ্গা আয়নার মতো কাঁদতে শুরু করল। নিলয় মা অনামিকার ঘরে গিয়ে বলল আজ রাতে তুমি একটু সাবধানে থেকো। আর একটা কথা আছে নিলয় যে নাগ এই কথাটা নীলিমা জেনে গেছে। যা এতদিন আমরা জানতাম। আমি তো কখনো নিলয়কে নিজের সন্তানের মত দেখিইনি। ওই নাগমনির জন্যই ওকে পেলে পুষে বড় করেছি। আর তুমিও তো এতদিন ওই জন্য নাগমণির জন্য ওর সাথে ছিলে। ওকে বিয়ে করতে চেয়েছিলে। আর এজন্যই তো নীলিমার বিয়ে ভেঙে দেয়া হয়েছিল। আর তোমার সাথে নিলয় সম্পর্ক জুড়ে দিয়েছিলাম। তোমার মনে পড়ে সেই কথা। যেকোনোভাবেই হোক ওই মেয়েকে বিদায় করে।তোমাকে আমার ছেলের সাথে বিয়ে করতে হবে।আর ওই নাগমণি দখলে নিতে হবে। গল্পের চতুর্থ অংশ একটু অনেকটাই দেরি করে আসবে।