" ইমতিয়াজ তোমারে আজকে রাইতে পলাইয়া বিয়া করবো।
" কিন্তু পলাইয়া কেন বিয়া করবো?
" তোমারে বিয়া কইরা হের পর সবাইরে কইবো।
" বিয়া না করলে তোমার বইনে তোমারে ইমতিয়াজ এর লগে বিয়া বইতে দিবো না।
পারুল গ্রামের সহজ সরল মাইয়া ইদ্রিস শেখ যা কইছে পারুল সব ওই বিশ্বাস কইরা লাইছে।
আমি সব ঠিক কইরা মাত্র জামু হুইতে। তখন ওই ইদ্রিস শেখ আমারে কয় গাড়ি বাইর করতে।
হেই অনেক সময় রাইত কইরা বাইরে ঘুরতো। হেল্লেগা আমিও চুপচাপ গাড়ি বাইর করি।
ইনায়া এক দৃষ্টি তে রহিম চাচার দিকে তাকিয়ে তার কথা শুনছে।
" হেরপর আমি গাড়ি বাইর করি। তখন দেহি পারুল ও লগে।
" আমি সাহস কইরা জিগাইলাম,,,,,,,, পারুল তুই কই যাবি?
পারুল কিছু কওনের আগেই ইদ্রিস শেখ কইলো
"না করছে দেইখা আমি আর কিছু কওনের সাহস পাইলাম না৷
" হঠাৎ কইরা কয় এই গাড়ি থামা।ইদ্রিস শেখের কন্ঠ।
সামনেই বাশঁ ঝাড় দেহা জাইতাছে। ইদ্রিস শেখ আর পারুল নামে।
দুইজনই বাশঁ ঝারের দিকে যাইতে থাকে।
আমিও হেগো পিছে পিছে যাই। কিন্তু হেরা আমারে দেহে না।
“চুপ! একদম চুপ!” ইদ্রিস শেখ হিসহিস কইরা কয়।
“তুই আমার পোলারে বিয়া করবি? তোর এতো সখ,,, আজকে আমি তোর সখ পুরা করমু।
পারুলরে মাটিতে হালায় দেয়।শুকনা বাঁশপাতার উপরে পারুল মোচড়াইয়া উঠে।
“ তুই আজ মরবি। তারপর তোর লাশ বিলের পানিতে ভাসাইয়া দিমু।