Posts

উপন্যাস

এক ছাতার নিচে। পর্ব:২৭

May 13, 2026

busra islam

38
View

#গল্প- এক ছাতার নিচে

 #লেখিকা- বুশরা নাদরাহ 

#পর্ব- ২৭  

 “চাচা... তুমি তো গাড়ি নিয়ে গিয়েছিলে। বাঁশঝাড় পর্যন্ত ও গিয়েছিলে। নিজের চোখে দেখেছো দাদা (ইদ্রিস শেখ) রামদা বের করেছে... তাহলে তুমি কেন যাও নাই? কেন পারুল খালামুনি কে বাঁচাও নাই?

    ইনায়ার গলা ভেঙ্গে আসে। চোখে পানি।  

  `“গেছিলাম মা... আমি গেছিলাম...”` চাচার গলা কাঁপে।

“বাঁশঝাড়ের ভিতরে ঢুইকা যখন দেখি হেয় পারুলের মুখ বানছে... আমি আর থাকতে পারি নাই। দৌড় দিয়া সামনে যাইয়া খাড়াইছি। চিল্লান দিয়া কইছি...”`    

চাচা চোখ বন্ধ করে। যেন ওই রাতটা আবার দেখছে।    

“কইছি...মাহাজন! এইডা কি করতাছেন! ছাড়েন মাইয়াডারে! নাইলে আমি এহনই চিল্লায়া গেরামের মানুষ এক করমু। সবাইরে কইয়া দিমু আপনে খুনি। 

   ইনায়া অবাক হয়ে যায়। 

“তাহলে... পারুল...?   

 রহিম চাচা হাউমাউ করে কেঁদে উঠে। 

পুরুষ মানুষের কান্না। বুক ফাটা কান্না।    

“তহন ইদ্রিস শেখ আমার দিকে ঘুইরা খাড়ায়। চোখ দুইটা জ্বলতাছে। রামদা আমার গলায় ধরে। 

"... 'রহিম... তুই চিল্লাইলে তোর বউ, পোলা আর মাইয়াডা কাল সকালে বিলে ভাসবো। তুই চুপ থাকলে হেরা বাঁচবো। ক কি করবি?   

ইনায়ার হাত পা কাঁপতে থাকে।    

"আমি... আমি পারি নাই মা। আমি কাপুরুষ। আমার ঘরে তখন ৩ মাসের পোলা। বউডা অসুস্থ। আমি ভাবছি পারুলরে বাঁচাইতে গিয়া যদি আমার পুরা সংসার শেষ হয়।  

চাচা মাথা ঠুকে দেয়ালে।   "

হেয় আমার বউ-পোলারে আর মাইয়ারে ওই রাইতেই কই জানি লইয়া গেছিলো। ৩ দিন পর ফেরত দিছে। কইয়া দিছে মুখ খুললে লাশও খুঁইজা পাবি না।  

 ইনায়া পাথরের মতো দাড়িয়ে থাকে।    

"৩২বছর মা... ৩২ বছর এই গলার কাঁটা লইয়া বাঁচতাছি। প্রতি রাইতেই পারুল আমার স্বপ্নে আহে।

 আমারে কয়... ....... 

" কি বলে চাচা??  

Comments

    Please login to post comment. Login

  • busra islam 2 weeks ago

    Diyechi apuu 🥰🥰

  • Saidul Sheakh 3 weeks ago

    পরের পর্ব তাড়াতাড়ি দিন