"আমারে কয়... চাচা, তুমি আমারে বাঁচাও নাই কেন?"
এই কথাটা বলেই রহিম চাচা হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন।
"আমি পারুলরে বাঁচাইতে পারি নাই... আমি কাপুরুষ।
কিছুক্ষণ পর রহিম চাচা চোখ মুছে আবার বলতে শুরু করলেন। গলাটা কাঁপছে।
" এতটুকু বলে চাচা থেমে গেলেন। বুকটা হাপরের মতো উঠানামা করছে। ফুঁপিয়ে কান্না আটকাতে পারছেন না।
পাশে রাখা পানির গ্লাসটা ইনায়া এগিয়ে দিল।
চাচা কাঁপা হাতে এক চুমুক পানি খেয়ে আবার বললেন,
এই ৩২ বছর ধইরা এই অপরাধ আমারে কুইড়া কুইড়া খাইতাছে। কও মা... কি শাস্তি দিবা দেও। আমি মাথা পাইতা নিমু।
" ইনায়া ধপ করে চাচার পাশে বসে পড়ল। চাচার কাঁপা হাতটা নিজের হাতে নিল।
একটু থেমে ইনায়ার চোখ শক্ত হলো।
"কিন্তু আম্মু... আম্মু কেন আমার কাছ থেকে এতবড় সত্য লুকালো? আমাকে এখনই আম্মুর কাছে যাতে হবে।
কথাটা শুনেই রহিম চাচা আঁতকে উঠলেন। ইনায়ার হাত চেপে ধরলেন।
"না মা, খবরদার! তোমার মা রে কিছু জিগাইতে যাইও না।
"দেখা যাবে চাচা... কিন্তু পারুল খালামনির খুনি শুধু ইদ্রিস শেখ না... এইটা আমি বুঝতে পারতাছি ।