"ইনায়ার বুক ধুকপুক করছে। রায়হান বাহিরে? এই রাতে?
আস্তে করে কম্বলটা সরিয়ে উঠে বসলো। পায়ের শব্দ যেন না হয়, তাই খালি পায়েই বিছানা থেকে নামলো।
দরজার হাতলটা ঘুরাতেই হালকা ক্যাঁচ করে শব্দ হলো।
ইনায়া সাথে সাথে থেমে গেল। যদি কেউ জেগে যায়?
ইনায়া ধিরে ধিরে মেইন দরজার কাছে গেল। হাতটা কাঁপছে। লোহার ছিটকানিটা ঠান্ডা বরফের মতো লাগছে।
রায়হান এত রাতে এখানে কেন আসছে?
ইনায়া চোখ বন্ধ করে একটা লম্বা শ্বাস নিলো। তারপর আস্তে করে দরজাটা খুললো।
দরজা খুলতেই বাহিরে দেখলো রায়হান দাঁড়িয়ে আছে।
রাস্তার হালকা আলোতে ওর মুখটা দেখা যাচ্ছে। চোখে-মুখে টেনশন।
"তুমি আসছো... ভেবেছিলাম আসবে না।
ইনায়া দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে ফিসফিস করে বললো:
"পাগল হইছেন? কেউ দেখলে কী হবে জানেন? এত রাতে এখানে কেন আসছেন?