মধু ভেবেছিল বড় মেয়েকে যৌতুক দিয়ে 50 হাজার টাকা বাকি টাকা খরচ করবে। আর প্রদানের টাকা বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে দিবে ১ লক্ষ টাকা। শুভাকে বিয়ে দিল অনেক আয়োজন করে যাতে বরযাত্রী কোন অসুবিধা না হয়। বরযাত্রী মেয়েকে বিয়ে করে বাড়ি নিয়ে চলে গেল। মিষ্টি তখন এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল, আর তার ছোট ভাই ফাইভে পড়তো। মধু তার বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়ে, তার ছোট ও ছেলেমেয়েদেরকে পড়ালেখা করাতে হিমশিম খাচ্ছিল। তাদের পরীক্ষা ফ্রি দিতে এবং সংসার চালাতে পারছিল না। তাই তাকে আবারও ঋণ নিতে হয়। কোন রকমে তাদের সংসার গুলো সুখে চলছিল। মধুর একটি ছোট ভাই ছিল, তার নাম সোহাগ এবং সে পড়ালেখা জানতো খুবই ছিল।সোহাগ চালাকি করে নিজের ভাইয়ের জায়গাটুকু নিজের নামে লিখে নিল, মধু তা জানতো না। মধু আশা ছিল বাড়ি বিক্রি করে, ভাড়া থাকবে এবং কিছু এটা কাজ করবে বাকি টাকা প্রদান কে দিবে। এভাবে সময় যাইতে থাকে এবং তারা দোনো ভাই বোন ও পড়তে থাকে।মিষ্টি ছিল খুব ভালো মেধাবী বুদ্ধিমান এবং ওর স্বপ্ন ছিল পুলিশ হবে, এবং দুর্নীতি বিরুদ্ধে লরবে।একদিন মিষ্টি স্কুল থেকে আসার সময় কিছু ছেলে ওকে ডিস্টার্ব করে,বখাটে ছেলেদের এই বাজে ইঙ্গিত বাজে কথাগুলো ওর সহ্য হলো না, মিষ্টি তাদের মধ্যে দু-একজনকে অনেক মারধর করল।বাজে ছেলে গুলো বুঝল দুই এক জনে অর সাথে পারা সম্ভব না। তাই তারা চলে গেল। এদিকে মধু জানতে পারলে যে তার জায়গাটুকু তার বাই সোহাগ নিজের নামে নিয়ে গেছে। মধু ভাইয়ের কাছ থেকে জামাটুকু আনতে গেল, পারল না কারন কাগজ পএ নেই।খাতা কলমের জায়গাটুকু যার নামে আইনত তার কথাই বলে।তাই মধু জমি টিপু আইন মত পায়ে নাই।তখন মধু কোন কিছু ভেবে পায় না অনেক হতাশ হয়ে যায়, এখন প্রধানের টাকা কোথা থেকে দিবে। প্রধানের টাকা দেওয়ার সময় গনিয়ে আসল।মধু অনেক জনের এর কাছ থেকে ধার নেওয়ার চেষ্টা করব কিন্তু কেউই দিল না। মধু ভাবল ছেলেমেয়েদের এবং স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবে রাতের বেলা। কিন্তু তা আর হলো না প্রধান লোকজনকে নিয়ে বাড়ি এসে হাজির হলো পালিয়ে যাওয়ার আগে। মধু প্রদানের টাকা দিতে পারল না যুক্তি অনুযায়ী তার মেয়ে মিষ্টিকে বিয়ে দিতে হলে প্রদানের কাছে। প্রদান দুই নাম্বারি কাজ করত মেয়ে পাচার এবং মদ ব্যবসায়ী,