"কলেজের গেটের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটা হালকা হেসে ডাক দিলো,
ইনায়া চমকে তাকালো। বুকের ভেতরটা হঠাৎ করেই ধুকধুক করে উঠলো।
রাইহান এক পা এগিয়ে এসে হাসলো। সেই হাসিতে একরকম নিশ্চিন্ত ভরসা ছিল।
" আজকে না। দেরি হয়ে যাবে... অন্য এক দিন যাবো।
রায়হান ভ্রু কুঁচকে একটু সামনে ঝুঁকে ফিসফিস করে বললো,
"দেরি হলে আমি স্যারের থেকে বকা শুনে নিবো। প্লিজ ইনায়া, চলো।
রায়হানের গলার স্বরে এমন কিছু ছিল, যে না বলাটা অন্যায় লাগলো।
ইনায়া আর কিছু বলতে পারলো না। চুপচাপ ব্যাগটা সামলে বাইকের পিছনে উঠে বসলো।
বাইক চলতে শুরু করলো। শীতের হালকা বাতাস এসে লাগছে মুখে, রায়হান আস্তে করে বললো,
"ধরে বসো, নাহয় পড়ে যাবে।তোমার কি ভয় লাগছে??
রায়হান বাইক থামিয়ে হেলমেট খুলে বললো,
"নামো। আজকে তোমাকে আমার প্রিয় জায়গাটা দেখাবো।অনেক ঘুরব। দুনিয়ার সব টেনশন ভুলিয়ে দিবো।
ফুচকাওয়ালার সামনে দাঁড়িয়ে রায়হান ব্যস্ত হয়ে বললো,
"চাচা, হাললা ঝাল দিয়ে এক প্লেট ফুচকা দেন।
" উনি কেন এত সহজে কেন সবকিছু এলোমেলো করে দেয়?
"কেন মনে হয়, উনার পাশে থাকলে দুনিয়ার আর কিছু লাগে না?
রাইহান হঠাৎ থেমে ইনায়ার দিকে তাকালো। চোখে একটা গভীর দৃষ্টি।
ইনায়া আকাশের দিকে তাকিয়ে ধীরে বললো,
"কিছু না। শুধু মনে হচ্ছে... থাকুক না কিছু কথা আজকের মতো। সব কথা বলে ফেললে তো রহস্য থাকে না।
রায়হান কিছু বুঝলো না, শুধু মাথা চুলকে হাসলো।
কলেজের গেটের সামনে এসে রায়হান বললো,
"কালকে একই সময়ে এখানে থেকো। কথা আছে। ইনায়া কিছু বললো না। শুধু মাথা নেড়ে ভিতরে চলে গেল।
হয়তো এটাই.……………,.