বৃষ্টি জানতে পারে যে ওয়ে মা হতে চলেছে। মিষ্টি চিন্তিত হয়ে গেল, আর ভাবতে লাগলো কি করবে। অবশেষে মিষ্টি ভাবল যে, বাচ্চাটি নষ্ট করবে না ওই নিজের মতন মানুষ করবে। বাবা মার সাথে এভাবে কথা বললো, বাবা-মা ও মেনে নিল। এভাবে মিষ্টি চলতেছিল। একদিন কলেজ থেকে আসার সময় কয়েকটি ছেলে মিষ্টি কে ডিস্টার্ব করতে লাগলো, মিষ্টিটা সহ্য করতে না পেরে তাদের মধ্যে একজনকে চড় মারলো। বখাটে ছেলেগুলো রাগান্বিত হয়ে মিষ্টি কে মারতে আসলো। এমন সময় ঐ দিক দিয়ে যাচ্ছিল পুলিশের এসআই, তার নাম ছিল সোহাগ। সোহাগ বখাটে ছেলেগুলোর হাত থেকে মিষ্টিকে খ বাঁচালো,এবং ছেলেগুলো ইভটিজিং করায় তাদেরকে থানায় নিয়ে গেল। মিষ্টির সাথে এসআই সোহাগ পরিচিত হল,মিষ্টিকে প্রথম দেখায় সোহাগের অনেক ভালো লাগলো। মিষ্টির নাম জানলো এবং বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসল।সোহাগ তা জানতো না যে মিষ্টি প্রেগন্যান্ট। সোহাগ অবিবাহিত ছিল।সোহাগ প্রথম দেখা মিষ্টিকে ভালোবেসে ফেলল,মিষ্টি কোন কলেজে পড়ে তা জানল।পরের দিন কলেজে সোহাগ মিষ্টির সাথে দেখা করতে গেল। মিষ্টির সাথে যোগাযোগ করল এবং জানতে পারল যে মিষ্টির পুলিশ হওয়ার শখ।সোহাগ মিষ্টি কে বলল যে এ ব্যাপারে আমি তোমাকে সাহায্য করবো এবং পুলিশ হওয়ার জন্য যে যোগ্যতা লাগে তা তোমাকে শিখাবো। এমনিতেই মিষ্টি কিছু টুকটাক মারামারি জানতো। একদিন সোহাগ মিষ্টিকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে গেল।মিষ্টি যানত না যে সোহাগ তাকে ভালোবাসে। মিষ্টি বন্ধু হিসেবে সোহাগের সাথে চলত।মিষ্টি সবসৃময় তার সন্তানকে নিয়ে ভাবত।কিভাবে তাকে নিয়ে খেলাধুলা করবে আর ঘুরবে। তারা যখন ঘুরতে গিয়েছিল তখন মিষ্টি অনেক খুসি হয়ে।অনেকদিন পর মিষ্টি খোলামেলা যায়েগায়ে ঘুরতে গেল তাই। খুশি হয়ে মিষ্টি গান গাইতে লাগল, ওই নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে,,,,,,,,,,,, আমি বাভতে থাকি যে 2বার কখন সোনামণিকে নিয়ে ঘুরতে যাব আর ডাকবো যে আয়ে সোনা মনি আয়ে কাছে তা শুনে মিষ্টি আয়ে তোর মায়ে ডাকছে যে । আমার কাছে তুই সাত রাজার ধন।তোকে নিয়ে ভাবতে থাকি সারাখন।এই গান সুনে সোহাগ তো অবাক। সোহাগ বুঝতেই পারলো না যে মিষ্টি কেন এই গান গাইলো।সোহাগ ভাব ছিল আজকে মিষ্টিকে প্রপোজ করবে। তাই মিষ্টিকে সোহাগ তার ভালোবাসার কথা জানাল।মিষ্টি তা সুনে ওইখান থেকে কিছু না বলে চলে আসল।