আমি বাসায় এসে ঘুমিয়ে পড়লাম। বাসার সবাই বেড়াতে গিয়েছে পিঠা খেতে গ্রামের বাড়িতে। তাই আমি প্রথমে দরজা খুলতে আমার গায়ের লোম শিরশির করতেছে। তালাটা খুলেই যখন ঘরে ঢুকলাম। তখন মনে হল ঘরের ভিতরে কি যেন একজন আছে। আমি দূরত্ব জামা কাপড় পরিবর্তন করে ফেললাম । লুঙ্গি স্যান্ডেল পড়ে দূরত বাথরুমে চলে গেলাম হাত মুখ ধুতে । বাথরুমে গিয়ে দেখি ফুলের খুব সুবাস আসতেছে। আমার জেন কেমন লাগলো যে বাথরুমে কে এসেছিল। বাথরুম থেকে একটি ফুলের গন্ধ এসছে। তাহলে কি বাথরুমে ঢুকেছিল মনটা খুসখুশ করতেছে। সকাল থেকেই ঘরটা তো খালি ছিল। তাহলে বাথরুমে কি ঢুকেছিল আমি না থাকায়। ইঁদুর বিড়াল ঢুকলে তো ফুলের সুবাস আসার কথা না। সকাল ১০ টা থেকে এখন রাত দশটা। কিন্তু বাথরুম ভিজা কেন মনে হল বাথরুমে কিছুক্ষণ আগেও পানি ঢালা হয়েছে। আমি দাঁত ব্রাশ করতে করতে আমার মাথায় চিন্তাটা আরো ভারী হতে লাগলো। গাটা একটু ছমছম করতেছে। দাঁত ব্রাশ করতে গিয়ে কুলি করতে ছিলাম যখন। মুখ দিয়ে খুলে ফেলতে গিয়ে বেসিনের দিকে চেয়ে মুখের কুলি আর ফুলে তো পারলাম না। হঠাৎ থমকে গেলাম। বেসিন এর উপরে একটি স্বর্ণের টুকরো পড়ে আছে। কুলিটি আমি বেসিনে না ফেলে দিয়ে নিচে ফেলে দিলাম। হাত ধুয়ে স্বর্ণের টুকরোটি হাতে নিলাম। এ আবার কেমন অলংকার। নাকি এটি কানের দুল নাকি এটি নাকফুল স্বর্ণটি
এমন ভাবে তৈরি করা অলংকার যেন মনে হয় আমাদের এই বিশ্বের কোন লোকই এ অলংকার ব্যবহার করেনা। আমি এটি হাতে নিয়ে কয়েকবার রিচার্জ করলাম। জানি তো চাবি আমার কাছেই ছিল তাহলে ঘরে কে আসলো। আমি হাতমুখ না ধুয়ে আবার দরজার দিকে গেলাম যেন দরজায় কোন ভুল করেছিলাম কিনা দরজা ঠিকমতো আট গিয়েছিলাম কিনা তাহা আবার চেক করলাম। দরজার কাছে গিয়ে দেখি দরজা সব ঠিকই আটকানো আছে। তাহলে বাথরুমে কে গিয়েছিল। আবার আমি বাথরুমে চলে আসলাম। বাথরুমে ঢুকে হাতমুখ ধুয়ে উঁচু করে নিলাম। বাথরুম থেকে বের হতে গিয়ে স্বর্ণের টুকর হাতে নিয়ে ঘরের দিকে এলাম। হাতমুখ মুছতে মুছতে
আমারতো আলিয়াতে দেখিয় বড় বড় ফুললেগে আছে।