ইনায়া জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। হালকা বাতাসে চুল উড়ছে। ঠোঁটে মিষ্টি হাসি। হঠাৎ ফোনে নোটিফিকেশন এলো,
"আমি নিচে দাড়িয়ে আছি। রাইহানের মেসেজ।
মেসেজ টা পরে ইনায়ার বুক ধক করে উঠল।
ইনায়া ফ্রেশ হয়ে হালকা গোলাপি রঙেরএকটা ড্রেস পরেছে। নিজেকে একবার দেখে নিচে নামল।
রাইহান গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। হালকা নীল শার্ট গায়ে, মুখে সেই পরিচিত হাসি।
ইনায়া কে দেখেই রাইহান এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল।
" ভাবছি, এত সুন্দর কেউ হতে পারে?
"সত্যি?কিন্তু আমি বের হবো কিভাবে? আম্মু তো একা বের হতে দিবে না।
রাইহান ফোন বের করে ইহান কে মেসেজ লেখল,
" ভাই, আমি ইনায়াকে নিয়ে বের হচ্ছি।তুই একটু বাসায় মেনেজ করিস।এক ঘন্টার মধ্যে চলে আসব।
সাথে সাথেই রিপ্লাই এলো,
"আচ্ছা, তোরা যা, আমি বাসায় মেনেজ করে রাখব।
রাইহান ফোনটা ঘুরিয়ে ইনায়াকে দেখালো।ইনায়া মেসেজ দেখে হালকা হাসল।
" এখন যাওয়া যাক?
বাইক ধীরে ধীরে চলছে। রাস্তার দুই পাশে গাছ, হালকা বাতাস। ইনায়ার চুল বারবার মুখে এসে পড়ছে।
"ভেবেছিলাম তোমাকে হয়তো হারিয়ে ফেলব।
" আমি ও ভেবেছিলাম, দাভাই সব কিছু শেষ করে দিবে আর কখনো কথা বলতে দিবে না।
" তুমি কি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে?
" আমি আপনাকে ছেড়ে কোথাও যাব না।
" চলো আজকে ও নৌকা দিয়ে ঘুরি যাবে?
রায়হান আর ইনায়া নৌকায় উঠে বসলো। আজ ইনায়ার কোন ভয় নেই, রায়হান পাশে আছে আর দাভাই তো সব মেনে নিয়েছে।
ইনায়া পানিতে পা ভিজাচ্ছে আর হাত দিয়ে পানি ছিটিয়ে রায়হান কে ভিজিয়ে দিচ্ছে।
"রায়হান মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে, আবার নতুন করে ইনায়ার প্রেমে পরছে।
ইনায়া হঠাৎ খেয়াল করল রায়হান ওর দিকে আছে। ইনায়া লজ্জায় মাথা নিচু করে ফেলল। রায়হান মুচকি হাসলো।