ঠিক তখনই একটা নোটিফিকেশন। ইনায়া ভ্রু কুঁচকে ফোনটা আনলক করল।
আরিশা এই সময় কেন মেসেজ দিচ্ছে?
রায়হানের কল কেটে দিয়ে চ্যাট লিষ্টে ঢুকতেই দেখে আরু মেসেজ দিয়েছে,
" এই শুন, কালকে কিন্তু কলেজে যাছ। অনেকদিন ধরে তো যাছ না।
ইনায়া একটু চমকে গেল। সে দ্রুত রিপ্লাই দিল,
কিছুক্ষণ পর আরিশা রিপ্লাই দিলো,
"কালকে ইন্টারনাল টেস্ট আছে! ম্যাডাম অনেক স্ট্রিক্ট হয়ে গেছে। না গেলে সমস্যা হতে পারে।
ইনায়ার মুখটা একটু সিরিয়াস হয়ে গেল।
" আচ্ছা ঠিক আছে, তাহলে কালকে ঠিক সময় চলে আয়। আর প্লিজ কালকে আবার গায়েব হয়ে যাস না।
চ্যাটটা শেষ হতেই ইনায়া আবার রায়হানকে ফোন দিল।
" আমি কেন জিজ্ঞেস করব?তোমরা বেস্ট ফ্রেন্ড, তোমাদের পার্সোনাল কথা থাকতেই পারে।
ইনায়ার ঠোঁটে যেন বিশ্ব জয়ের হাসির দেখা মিলল। বিড়বিড় করে বলল,
আপনি কেন এতো ভালো? আমি কবে আপনার হবো? আপনাকে ছাড়া আমার যে এক মুহূর্তও ভালো লাগে না।
তবুও ইনায়া স্বাভাবিক ভাবেই বলল,
" না না, পার্সনাল কোন কথা না। আরু বলল কাল কলেজে যেতে হবে।
"ওহ আচ্ছা। তাহলে তো যেতেই হবে।
" ধুর পাগলি।তোমার পড়াশোনা আগে। পরে সব কিছু।
" কালকে টেস্ট আমি তো কিছুই পড়ি নাই।
" এখন ঘুমিয়ে পরো।সকালে নামাজ পরে তারপর একটু পড়তে বসো পড়া শেষ করে খেয়ে কলেজে যেও।