ভোরছোঁয়া কুয়াশায় নদীটি আজ শান্ত ছিল। ঘাটের মাঝি রহমত আলী প্রতিদিনের মতো জাল গোছাতে গিয়ে থমকে দাঁড়াল। কাশবনের নরম কাদার ওপর একটি মেয়ে ভেসে উঠেছে।মেয়েটির পরনে নীল শাড়ি, হাত দুটো জোড় করা। রহমত আলী ভয়ে ভয়ে এগিয়ে গেল। মেয়েটি অচেতন, কিন্তু অলৌকিক উপায়ে তার শ্বাস সচল ছিল। গ্রামের মানুষ জড়ো হলো। সবাই ভাবল এটি কোনো অশুভ শক্তির খেলা, কারণ মেয়েটির চেহারা গ্রামের নিখোঁজ হওয়া জমিদার কন্যার হুবহু প্রতিরূপ, যে কি না পঞ্চাশ বছর আগে এই নদীতেই ডুবে মারা গিয়েছিল।গ্রামের প্রবীণ বৈদ্য মশাই মেয়েটির কপালে হাত রাখলেন। আলতো করে তার চোখের পাতা খুলতেই দেখা গেল, তার চোখের মণি সাধারণ মানুষের মতো কালো নয়, বরং টলটলে নদীর জলের মতো নীল। ঠিক তখনই মেয়েটি ফিসফিস করে বলে উঠল, "সে আসছে।"রহমত আলী এবং গ্রামবাসীরা বুঝতে পারল না কে আসছে। কিন্তু নদীর জল হঠাৎ অশান্ত হয়ে উঠতে শুরু করল। মাঝ-নদীতে তৈরি হলো এক বিশাল ঘূর্ণাবর্ত। (গল্পটি প্রথম খন্ড এখানে শেষ করছি।)
Comments
-
Shafin pro 1 week ago
বেশি বেশি লেখাগুলো পড়ুন এবং অন্যকে পড়ার জন্য সহযোগিতা করে তাহলে লিখতে আগ্রহ হবে। ধন্যবাদ