ঠিক তখনই রায়হান তার ব্যাগ থেকে একটা ছোট প্যাকেট বের করল।
"এইটা তোমার জন্য । রাইহান একটু হেসে বলল।
ইনায়া ধীরে ধীরে প্যাকেটটা খুলতেই তার চোখ বড় হয়ে গেলো। ভেতরে অনেকগুলো চকলেট।
"প্রতিদিন একটা করে খাবা। আর আমাকে মনে করবা।
হালকা বাতাস বয়ছে। দুজনেই চুপ।কিন্তু সেই নীরবতায়ও ছিল হাজারটা কথা। রাইহান ধীরে ধীরে বলল,
" এখন থেকে তুমি ঠিক ভাবে চলবে।
" এখন থেকে তুমি নিয়ম করে কলেজে যাবে। পড়াশোনায় মন দিবে।
রাইহানের কণ্ঠে দৃঢ়তা ছিল, কিন্তু কোথাও যেন কষ্টও লুকানো।
একটা দীর্ঘ নীরবতা। দূরে কোনো পাখি ডেকে উঠল। রায়হান আস্তে বলল,
"দেখা কম হলে কি হবে? তুমি যদি আমারই থাকো।
"আমি তো আপনারই। ইনায়া খুব আস্তে বলল।
রায়হান একটু ঝুঁকে নরম গলায় বলল,
ইনায়া এবার তার চোখের দিকে তাকাল। চোখ দুটো ভরে উঠেছে অদ্ভুত এক নিশ্চিন্ততায়।
"প্রতিদিন আমার সাথে কথা বলবেন।
"দিন শেষ হওয়ার পরে তোমার কণ্ঠ না শুনলে আমারও ঘুম আসবে না।
ইনায়ার ঠোঁটে ধীর, লাজুক একটা হাসি ফুটে উঠল।
ফ্রেশ হয়ে টেবিলে গিয়ে বই খুলল। পাতাগুলোতে আজ ভয় নেই,বরং এক ধরনের সাহস কাজ করছে।