কতকাল আমি ভেবেছি বেরিয়ে যাব
নীরবে বেরিয়ে যাব, এক খোলা আকাশ প্রান্তরে
যেখানে শুধু নীলের স্বর্গরাজ্যে উড়ে বেড়াবে সাদা মেঘের ভেলা
পাখির গান কিচির মিচির শব্দ মধুর এক শব্দমালা করে,
কানের গহীনে আলোড়ন করবে
ছলছল ঝর্ণার পানির শান্ত ছুটে চলা কলতান
ফোঁটায় ফোঁটায় শীতল শিহরণ জাগাবে
মৃদু হাওয়া পাহাড়ের কাঁধে আছড়ে পড়ে ঝর্ণার শীতলে
মিশে যাবে, কোমল অনুভূতি সূক্ষ্ম লোমের গোড়ায় গোড়ায়
নাড়া দেবে
প্রকৃতির নীরব খেলায় যখন সন্ধ্যা নেমে আসবে
চাঁদের বুড়ির মেঘের মেলায় হারিয়ে যাওয়া
লুকোচুরির আড়ালে সাদা পানির বুকে সোনালী আলোর
প্রতিফলন গায়ে মেখে নেব
কিন্তু প্রকৃতির কঠিন নিয়ম আমার লোভী মনকে বিনি সুতোর
মায়াহীন প্যাঁচের শতশত বন্ধনে রেখে,
বিরামহীন আঁঘাতে আঁঘাতে তাড়া করেছে
নিকষ কাল দাগী শরীরে ছুটেছি দূর্গম কান্তার মরু
দূর্ভেদ্য পথ প্রান্তর, নগর পাথর
তবু যদি ধরতে পারি অজানা, অদেখা, অভোগ্য ভালো থাকার মায়াবী কড়ি
মায়াবী যাদুকরি কড়ি খোঁজে খোঁজে ক্লান্ত মন
আজ প্রভাতের সূর্যের মুগ্ধ আলোর সাথে কোন প্রতিযোগিতায় যাবে না
আজ কোন বিলাসী মোহ, প্রেমিকার প্রতারণার লোভী চোখ,
ক্ষুধার পেটে লাথিমারার ভয়
বুকের ভিতরে কোন মোচড় দিতে দেব না
আপনাকে আজ সঁপে দিয়েছি প্রকৃতির খোলা আলিঙ্গনে,
ইটের শহরের কঠিন হৃদয়ে আঘাত করেছি পাথরবিহীন খোলা হাতুড়িতে
ডাঃমোঃ তরিকুল ইসলাম
সহকারী রেজিস্ট্রার
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
গ্যাস্ট্রোএন্ট্রারোলজী বিভাগ
তারিখঃ১/০৬/২৬