Posts

গল্প

পদ্মার পাড়ের মজিদ মিয়ার নৌকা নিয়ে গেল ঝিলিক।

June 3, 2026

Shafin pro

48
View

পদ্মা নদীর বুক চিরে যখন ভোরের প্রথম আলো এসে পড়ে, তখন জলরাশিকে মনে হয় গলানো রুপোর চাদর। এই নদীর পাড়েই ছোট একটি গ্রাম ‘চরকান্দা’। গ্রামের এক মাথায়, ভাঙন-ধরা মাটির দেয়াল আর খড়ের ছাউনি দেওয়া ছোট্ট একটি ঘরে বাস করেন মজিদ মিয়া। বয়স ষাটের কোঠায়, কপালে আর চোখের কোণে গভীর ভাঁজ, কিন্তু শরীরটা এখনো নদীর মাঝিদের মতোই শক্তপোক্ত।মজিদ মিয়ার জীবনের একমাত্র সঙ্গী তার সাধের নৌকাটি। শাল কাঠের তৈরি, যত্নে খোদাই করা গলুই, আর মাঝখানে বসানো একটা মজবুত ছই। এই নৌকাটি শুধু মজিদ মিয়ার জীবিকা নয়, তার অস্তিত্বের অংশ। নিঃসন্তান মজিদ মিয়া আর তার স্ত্রী রহিমা খাতুন এই নৌকাটিকে নিজেদের সন্তানের মতোই ভালোবাসতেন। তিন বছর আগে রহিমা রোগে ভুগে মারা যাওয়ার পর, নৌকাটিই হয়ে ওঠে মজিদ মিয়ার একাকী জীবনের একমাত্র ধ্রুবতারা। তিনি নৌকাটির নাম রেখেছিলেন ‘ময়ূরপঙ্খী’।কিন্তু এক ঝড়ের রাতে মজিদ মিয়ার সেই সাজানো পৃথিবী ওলটপালট হয়ে গেল। আর সেই ঝড়ের নাম ছিল ‘ঝিলিক’।প্রথম পরিচ্ছেদ: পদ্মার কোল ও মজিদ মিয়ার ময়ূরপঙ্খীচরকান্দা গ্রামের মানুষ মজিদ মিয়াকে চেনে এক根 সোজা স্বভাবের মানুষ হিসেবে। কোনো লোভ নেই, কোনো হিংসা নেই। প্রতিদিন ভোরে যখন পাখিরা ডাকাডাকি শুরু করে, মজিদ মিয়া তখন হাতে একটা হ্যারিকেন আর কাস্তে নিয়ে ঘাটের দিকে রওনা হন। ঘাটে বাঁধা থাকে ময়ূরপঙ্খী। নৌকাটির গায়ে নিয়মিত আলকাতরা মাখানো হয়, যাতে নদীর নোনা ও মিষ্টি জলের ছোঁয়ায় কাঠ নষ্ট না হয়।নৌকাটি নিয়ে মজিদ মিয়া ঘাটে ঘাটে মানুষ পারাপার করেন। কখনো ওপাড়ের হাটে সবজি নিয়ে যান চাষিরা, কখনো স্কুলের ছেলেমেয়েরা হইচই করে ওঠে। মজিদ মিয়া কারো কাছ থেকে দু-টাকা বেশি নেন না। যার টাকা নেই, তাকে বিনা পয়সায় পার করে দিয়ে বলেন, "টাকা লাগব না বাজান, দোয়া কইরো।"রহিমার মৃত্যুর পর মজিদ মিয়া মাঝেমধ্যে মাঝনদীতে নৌকা থামিয়ে একাকী বসে থাকতেন। বাতাসের শনশন শব্দ আর পদ্মার ঢেউয়ের ছলাৎ ছলাৎ শব্দে তিনি যেন রহিমার কণ্ঠ শুনতে পেতেন। নৌকাটি ছিল তার সুখ-দুঃখের নীরব সাক্ষী। গ্রামের মাতব্বর করিম শেখ বহুবার মজিদ মিয়াকে বলেছে, "মজিদ, বয়স তো হইছে। নৌকাডা আমার কাছে বেইচ্যা দ্যাও। ভালো দাম দিমু। বাকি জীবন বইসা খাইবা।"মজিদ মিয়া প্রতিবারই হেসে বলতেন, "মাতব্বর সাব, জান থাকতে ময়ূরপঙ্খীরে হাতছাড়া করুম না। এইডা আমার বউয়ের স্মৃতি, আমার সন্তানের মতো।"দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ঝিলিকের আগমনঝিলিক ছিল এক অদ্ভুত মেয়ে। পুরো নাম রেহানা আক্তার ঝিলিক, কিন্তু গ্রামের মানুষ তাকে শুধু ‘ঝিলিক’ বলেই ডাকত। তার নামের মতোই তার স্বভাব ছিল চঞ্চল, ক্ষণস্থায়ী এবং তীব্র। ঝিলিক এই গ্রামের মেয়ে নয়। সে এসেছিল ওপাড়ের শহর থেকে, তার মামার বাড়িতে বেড়াতে।ঝিলিকের বাবা ছিলেন শহরের এক বড় ব্যবসায়ী। কিন্তু ঝিলিক শহরের চার দেয়ালের বন্দি জীবন পছন্দ করত না। সে ছিল বাঁধনহারা পাখির মতো। নদীতে সাঁতার কাটা, কাশবনে লুকিয়ে থাকা, আর মাঝিদের সাথে গল্প করা ছিল তার প্রতিদিনের কাজ। তবে তার সবচেয়ে বড় নেশা ছিল নৌকা চালানো। কিন্তু শহরের মেয়ে বলে গ্রামের কেউ তাকে একা নৌকা দিতে চাইত না।একদিন বিকেলে ঝিলিক এসে হাজির হলো মজিদ মিয়ার ঘাটে। তখন সূর্য ডুবুডুবু। মজিদ মিয়া ঘাটের খুঁটিতে দড়ি বাঁধছিলেন।"ও মজিদ চাচা! তোমার এই নৌকাটা আমাকে একটু দেবে? আমি ওপাড়ে যাব," ঝিলিক বেশ চড়া গলায় বলল।মজিদ মিয়া সোজা হয়ে দাঁড়ালেন। মেয়েটির চোখের দিকে তাকিয়ে তিনি কেমন যেন এক অবাধ্যতা দেখতে পেলেন। তিনি নরম সুরে বললেন, "মা জননী, সাঁঝের বেলা নদী ভালো না। পদ্মার টান খুব বেশি। তুমি একা যাইতে পারবা না।""আরে চাচা, আমি শহরে সুইমিং পুলে সাঁতার কেটেছি। নৌকা চালানো আমি জানি। দাও না লক্ষ্মী চাচা!" ঝিলিক জেদ ধরল।মজিদ মিয়া মাথা নাড়লেন, "না মা, বিয়ার কনের মতো সাজানো আমার এই নৌকা। কারোর হাতে একা ছাড়ি না। তোমার মামা শুনলে আমারে বকবে।"ঝিলিক মুখটা গোমড়া করে চলে গেল, কিন্তু তার চোখ রয়ে গেল ময়ূরপঙ্খীর চকচকে কাঠের গলুইয়ের দিকে। তার মনে একটা জেদ চেপে বসল—এই নৌকা তাকে চালাতেই হবে।তৃতীয় পরিচ্ছেদ: সেই কালবৈশাখী রাতসেদিন ছিল বৈশাখ মাসের শেষ দিক। সকাল থেকেই আকাশটা কেমন যেন থমথমে হয়ে ছিল। দুপুরের পর থেকেই বাতাস ভারী হতে শুরু করে। মজিদ মিয়া অভিজ্ঞ মাঝি, তিনি বুঝলেন বড় কোনো ঝড় আসছে। তিনি তড়িঘড়ি করে ময়ূরপঙ্খীকে ঘাটের সবচেয়ে মজবুত হিজল গাছের সাথে মোটা পাটের দড়ি দিয়ে তিনবার গিঁট দিয়ে বেঁধে বাড়ি ফিরে গেলেন।রাত বাড়ার সাথে সাথে শুরু হলো আসল তাণ্ডব। কালবৈশাখী ঝড় তার পুরো শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়ল পদ্মার পাড়ে। বাতাসের শব্দে মনে হচ্ছিল কোনো দানব গর্জন করছে। মজিদ মিয়া তার ঘরের ভেতরে বসে আল্লাহর নাম জপছিলেন আর মনে মনে ভাবছিলেন, "হে আল্লাহ, আমার ময়ূরপঙ্খীরে রক্ষা কইরো।"ঠিক সেই ঝড়ের রাতেই ঘটে গেল এক অভাবনীয় ঘটনা। ঝিলিক তার মামার বাড়িতে বন্দি বোধ করছিল। ঝড়ের শব্দ তাকে ডরানোর বদলে এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ দিচ্ছিল। সে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এল। তার মাথায় তখন একটাই ভূত চেপেছে—এই ঝড়ের মধ্যে পদ্মার বুকে নৌকা চালানোর আনন্দ কেমন, তা তাকে দেখতেই হবে। সে সোজা চলে গেল মজিদ মিয়ার ঘাটে।অন্ধকারে আর প্রচণ্ড বাতাসে চোখ মেলা দায় ছিল। ঝিলিক দেখল ময়ূরপঙ্খী ঢেউয়ের আঘাতে পাগলের মতো দুলছে। সে পকেট থেকে একটি ধারালো ছুরি বের করল। মজিদ মিয়ার দেওয়া শক্ত গিঁট খোলার সময় তার ছিল না। সে এক কোপে মোটা পাটের দড়িটি কেটে ফেলল।নৌকাটি মুক্ত হতেই পদ্মার তীব্র স্রোত আর বাতাস তাকে তীরের কাছ থেকে টেনে মাঝনদীতে নিয়ে গেল। ঝিলিক নৌকায় লাফিয়ে উঠল এবং বৈঠা হাতে নিল। কিন্তু সে বুঝতে পারেনি, সুইমিং পুলের শান্ত জল আর রুদ্ররূপী পদ্মার স্রোতের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত।চতুর্থ পরিচ্ছেদ: শূন্য ঘাট ও মজিদ মিয়ার হাহাকারসকালে ঝড় থামল। আকাশ পরিষ্কার, যেন রাতে কিছুই হয়নি। মজিদ মিয়া বুকভরা উৎকণ্ঠা নিয়ে ছুটে এলেন ঘাটে। কিন্তু ঘাটে এসে তার পায়ের তলার মাটি সরে গেল।হিজল গাছের গায়ে দড়ির কাটা অংশটুকু ঝুলে আছে। কিন্তু ময়ূরপঙ্খী নেই!মজিদ মিয়া চিৎকার করে উঠলেন, "আমার ময়ূরপঙ্খী! আমার জানের নৌকা কই গেল!" তিনি ঘাটের মাটিতে বসে পড়লেন। তার চোখ দিয়ে টপটপ করে জল পড়তে লাগল। গ্রামের মানুষ ছুটে এল। কেউ ভাবল ঝড় নৌকাটি ভাসিয়ে নিয়ে গেছে, কেউ ভাবল হয়তো চরে আটকে আছে।এমন সময় ঝিলিকের মামা করিম শেখ হন্তদন্ত হয়ে ঘাটে এলেন। তার মুখ ফ্যাকাশে। "সর্বনাশ হয়ে গেছে ভাইসব! আমার ভাগ্নি ঝিলিককে রাত থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। ঘরের দরজা খোলা ছিল।"ঠিক তখনই ঘাটের এক কোণে কাদার মধ্যে একটা জিনিস চকচক করে উঠল। মজিদ মিয়া গিয়ে সেটি তুলে নিলেন। সেটি ছিল একটি রুপোর ব্রেসলেট, যাতে ইংরেজিতে খোদাই করে লেখা ছিল ‘Jhilik’।মজিদ মিয়ার বুঝতে আর বাকি রইল না। ঝড় নৌকা নেয়নি, নৌকা নিয়ে গেছে ঝিলিক। গ্রামের মানুষ ফিসফিস করতে লাগল, "শহরের ছেড়ি তো নিজে ডুবল, মজিদ মিয়ার কপালডাও পুড়াইল।"কিন্তু মজিদ মিয়া ঘরে বসে থাকার মানুষ নন। তার মনে একদিকে রাগ, অন্যদিকে ওইটুকু মেয়ের জন্য এক অজানা আশঙ্কা। তিনি করিম শেখকে বললেন, "মাতব্বর সাব, আপনার ছেড়িরে আর আমার নৌকারে আমি ফিরায়া আনুম। পদ্মা আমার চেনা, ও কারে কই নিয়া যায়, আমি জানি।"পঞ্চম পরিচ্ছেদ: পদ্মার বুকে সন্ধানমজিদ মিয়া গ্রামের অন্য এক মাঝির ছোট একটা ডিঙি নৌকা ধার চাইলেন। কিন্তু কেউ এই উত্তাল নদীতে যেতে রাজি ছিল না। অবশেষে নিজের জমানো কয়েকটা টাকা দিয়ে এক মাঝিকে রাজি করিয়ে তিনি রওনা হলেন ভাটির দিকে।পদ্মা নদী যেখানে যমুনার সাথে মিশেছে, সেই মোহনার দিকে স্রোত খুব বেশি। মজিদ মিয়া চোখ কান খোলা রেখে চারপাশ দেখতে লাগলেন। তার মনে হচ্ছিল, ময়ূরপঙ্খী যদি অক্ষত থাকে, তবে সে কোনো না কোনো চরে আটকে থাকবে। আর যদি... মজিদ মিয়া আর ভাবতে পারলেন না।দিন গড়িয়ে দুপুর হলো, দুপুর গড়িয়ে বিকেল। মজিদ মিয়ার ঠোঁট শুকিয়ে কাঠ, কিন্তু তার দৃষ্টি স্থির। হঠাৎ অনেক দূরে, একটা জনমানবহীন বালুচরের প্রান্তে উপুড় হয়ে থাকা একটা কালো অবয়ব তার চোখে পড়ল।মজিদ মিয়া চিৎকার করে উঠলেন, "ওই যে! ওই যে আমার ময়ূরপঙ্খী!"নৌকাটি তীরের কাছে আসতেই মজিদ মিয়া জল ভেঙে চরে নামলেন। হ্যাঁ, এটি তার ময়ূরপঙ্খীই বটে। তবে তার দশা জরাজীর্ণ। ছইটা ভেঙে গেছে, গলুইয়ের একপাশ ফেটে গেছে। আর নৌকার ভেতরে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে আছে ঝিলিক। তার সারা গায়ে কাদা, কপাল কেটে রক্ত শুকিয়ে কালো হয়ে গেছে।ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: জীবন ও স্মৃতির পুনর্জন্মমজিদ মিয়া ঝিলিকের কাছে গেলেন। রাগ বা ক্ষোভের চেয়ে তার ভেতরের মানবিকতা বড় হয়ে উঠল। তিনি ঝিলিকের নাড়ি পরীক্ষা করলেন—তখনো প্রাণ আছে। তিনি নদী থেকে জল এনে ঝিলিকের মুখে চোখে ঝাপটা দিলেন।কিছুক্ষণ পর ঝিলিক আস্তে আস্তে চোখ মেলল। সামনে মজিদ মিয়াকে দেখে সে ভয়ে আর অপরাধবোধে কেঁদে ফেলল। "চাচা... আমাকে মাফ করে দাও। আমি বুঝতে পারিনি নদী এত ভয়ঙ্কর। তোমার নৌকাটা আমি নষ্ট করে ফেললাম।"মজিদ মিয়া একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তিনি ঝিলিকের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন, "পদ্মা কাউরে মাফ করে না মা। তুই যে জ্যান্ত আছস, এইডাই আল্লাহর বড় নেয়ামত। নৌকা তো কাঠ-খড়, ও আবার সাজানো যাইব। কিন্তু মানুষের জীবন তো আর ফিরে আসে না।"মজিদ মিয়া আর সঙ্গী মাঝি মিলে ঝিলিককে নৌকায় তুললেন। ভাঙা ময়ূরপঙ্খীটিকে অন্য নৌকার পেছনে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে আসা হলো গ্রামে।গ্রামে যখন তারা ফিরলেন, তখন করিম শেখ তার ভাগ্নিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন। তিনি মজিদ মিয়ার হাত ধরে বললেন, "মজিদ, তুমি আমার ভাগ্নির জীবন বাঁচাইছ। আমি তোমার নৌকার সব ক্ষতিপূরণ দিমু।"মজিদ মিয়া হাসলেন, "ক্ষতিপূরণ লাগব না মাতব্বর সাব। নদী আমারে অনেক কিছু শিখাইছে।"এর পর থেকে ঝিলিকের স্বভাব পুরোপুরি বদলে গেল। তার ভেতরের সেই অবাধ্য জেদ কেটে গিয়ে এক গভীর শান্ত ভাব চলে এল। সে প্রতিদিন বিকেলে মজিদ মিয়ার ঘাটে আসত। এবার আর নৌকা চুরি করতে নয়, মজিদ মিয়াকে নৌকা মেরামতে সাহায্য করতে।কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ময়ূরপঙ্খী আবার আগের রূপ ফিরে পেল। নতুন ছই, নতুন আলকাতরার প্রলেপ, আর গলুইতে নতুন করে আঁকা হলো একটি ময়ূরের ছবি। এখন বিকেলে মজিদ মিয়া যখন নৌকা নিয়ে বের হন, তখন তার পাশে বসে থাকে ঝিলিক। মজিদ মিয়া তাকে পরম যত্নে শেখান—কীভাবে নদীর স্রোত বুঝতে হয়, কীভাবে বাতাসের গতি দেখে পাল খাটাতে হয়।পদ্মার পাড়ে সূর্য যখন অস্ত যায়, তখন ময়ূরপঙ্খীর ওপরে বসে থাকা বৃদ্ধ মাঝি আর তরুণী মেয়ের ছায়াটি জলের বুকে এক অদ্ভুত শান্তির ছবি তৈরি করে। ঝিলিক বুঝতে পেরেছে, স্বাধীনতা মানে নিয়ম ভাঙা নয়, স্বাধীনতা হলো প্রকৃতির সাথে মিতালী করে বেঁচে থাকা। আর মজিদ মিয়া ফিরে পেয়েছেন তার এক নতুন সন্তানকে, যে তার ময়ূরপঙ্খীকে তার মতোই ভালোবাসতে শিখেছে।গল্পটি আরও বড় করতে বা অন্য কোনো মোড় দিতে চাইলে আমাকে জানাতে পারেন! যেমন:ঝিলিকের শহরে ফিরে যাওয়া এবং পরে মজিদ মিয়ার খোঁজ নেওয়া।নদী ভাঙনের মুখে গ্রামের মানুষের লড়াই।ময়ূরপঙ্খীকে নিয়ে অন্য কোনো রোমাঞ্চকর অভিযান।আপনার পছন্দ অনুযায়ী গল্পটিকে কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, তা জানাতে পারেন। 

Comments

    Please login to post comment. Login

  • Shafin pro 1 week ago

    প্ল্যাটফর্মটি প্রচার করার জন্য বেশি বেশি ভিউয়ার

  • Shafin pro 1 week ago

    পদ্মার পাড়ের মজিদ মিয়ারনৌকাটি নিয়ে গেল ঝিলিক যদি গল্পটি সাবস্ক্রাইব বেশি হয় তাহলে গল্পটি আরো পাঠ করা হবে