*বৃহন্নলা
বৃহন্নলা বিষাদী কণ্ঠে বলে লম্বা পুরুষাঙ্গের চাহিদা!..
প্রাচুর্যতার শহরে তারা যেনো এক জং ধরা জাহাজ।
মানুষ ওড়লে তাদের মনেও গড়ির চালানোর অনুভূতি জাগে!..
এই অনুভূতি বুঝি গাছের শুকনো শিখর এর মতো!..
এই বুঝি ছিঁড়বে কিন্তু… না না নৌকাও তো উল্টো করে পানির উপরে ভাসতে চায়, ভেসে পারি দিতে চায় অচেনা পথ,দূর্ঘম পথ, একা চলার পথ,সময় চেনার পথ কিন্তু পারে?!..
বেহুলা সেজে দরবেশে নৃত্য মাথায় নর্তকি। সাহেবেরা স্বাদে মেতে ওঠে কামনায়।
দিন এনে দিন খেয়ে মরে বেঁচে থাকে কিছুপথ তারাও কী সেই বেহুলা?!..
অভাবের পুঁজি পড়া বেগে খাবার আনলে তাও ছিঁড়ে ফেটে চৌচির হয়ে চলে যায় সীমান্ত পার হয়ে!..
এক মুঠো ভাত কিনতে হলে ফুল হয়ে দাড়িয়ে থাকে নিস্তব্ধ এর ন্যায়!কেউ নেই ফুলের কাটা আবার কেউ নেই ফুলের পাপড়ি। ঝড়ে যাওয়া শুকনো ফুলের পাপড়ি এর দাম কে আবার দেই?
বিষাক্ত ফেনা তুলে তারাও হতে চায় ফানুস!
তাদের উড়া দেখে পাখিরাও সন্দেহ করে।
বিষাদসিন্ধুর কন্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় বেহুলা দরবেশে নর্তকী সাজার তীব্র ইচ্ছে পোষণ!
কাঠ পুড়ালে সেই কাঠ কী গাছ হয়ে ওঠে আবারও?
মনে রাখে না তো সেই বৃহৎ কাঁটা তোলার নিম গাছের বৃক্ষ গুলাকে।
কদর করার আগেই নিম গাছ গুলাও শুকে চৌচির হয়ে দাফন হয় মাটিতে!.