ক্ষুধার জলন্ত আগুনভেতরের মাঠে এক অলক্ষ্য আগুন জ্বলে,
তাকে নেভানোর সাধ্য কার এই ভুবনতলে?
ক্ষুধার তীব্র অনল যখন কামড়ায় পাজরে,
তখন বিশ্বজোড়া সুখ ম্লান হয়ে যায় ঝড়ে।
অন্নহীন এই জঠর এক নীরব যুদ্ধভূমি,।
যেখানে বাঁচার লড়াইয়ে হার মানো তুমি।
ক্ষুধার জ্বালায় রাতের ঘুম হয়ে যায় দূর,
ক্লান্ত চোখে ভাসে কেবলই রুটির সুর।
সোনা-দানা কিংবা কোনো দালান-কোঠার শান,
কিছুই মেটাতে পারে না এই তৃষিত প্রাণ।
এক মুঠো ভাতের তরে চাতক পাখি মন,
বুকের ভেতর চলে এক অবিরাম ক্রন্দন।
ক্ষুধা কোনো ভাষা বোঝে না,
বোঝে না জাত,
সে শুধু খোঁজে এক থালা অমৃত সম ভাত।রাজপ্রাসাদ থেকে শুরু করে পথের ধুলো,
ক্ষুধার কাছে সব মানুষই এক কাতারে এলো।
যার পেটে জ্বলে এই জলন্ত নির্মম চিতা,
সেই কেবল বোঝে জীবনের নির্মম বাস্তবতা।ধনীরা বোঝে না কভু এই না-খাওয়ার ব্যথা,
তাদের কাছে এ কেবলই এক করুণ রূপকথা।কিন্তু যে জন কাটিয়েছে অনাহারে সারা রাত,
ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা দামি এক মুঠো ভাত।ক্ষুধার এই জ্বালা বড়ই কঠিন, বড়ই ভার
সৃষ্টির বুকে এর চেয়ে বড় কষ্ট নেই তো আর।
কবিতাটি আপনাদের
কেমন লাগলো তা লিখেআমাকে জানাতে পারেন।