Posts

সমালোচনা

নিষিদ্ধ পান্ডুলিপি

June 13, 2026

Monir Hasan

17
View

যেকোনো সমাজ বা ধর্মের বুদ্ধিবৃত্তিক ও মানবিক বিকাশের জন্য অন্ধ আনুগত্যের দেয়ালে আঘাত করা প্রয়োজন। শত শত বছর ধরে যে গ্রন্থ এবং নিয়মগুলোকে পরম পবিত্র ও অলঙ্ঘনীয় বলে প্রচার করা হয়েছে, একজন বাস্তববাদী মুক্তচিন্তক হিসেবে আমার দায়িত্ব সেগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা অসঙ্গতি ও মানবীয় দুর্বলতাগুলোকে উন্মোচন করা। ইসলামের ইতিহাসের দুটি সুনির্দিষ্ট অধ্যায়— ‘প্রাপ্তবয়স্কের দুধপান’ (রদা’আতুল কুবরা) এবং ‘ছাগলে আয়াত খাওয়া’র ঘটনা— কোনো পরম পবিত্র ও অলৌকিক ব্যবস্থা নয়, বরং তা ছিল সমকালীন মানুষের সামাজিক জটিলতা, রাজনৈতিক ভীতি ও জোড়াতালির এক অদ্ভুত দলিল।

​ইসলামের পারিবারিক আইনে ‘মাহরাম’ বা রক্তের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার একটি প্রাকৃতিক ও যুক্তিগ্রাহ্য নিয়ম শৈশবে মায়ের দুধ পান করা হলেও, সহীহ মুসলিমের মতো নির্ভরযোগ্য গ্রন্থে বর্ণিত আবু হুযায়ফার পালক পুত্র সালিমের ঘটনাটি এই স্বাভাবিক নিয়মের গায়ে এক বিশাল প্রশ্নবোধক চিহ্ন এঁকে দেয়। সালিম যখন যুবক হলেন, তখন ঘরে তাঁর অবাধ যাতায়াত নিয়ে পর্দা রক্ষার এক তীব্র সংকট তৈরি হয়। এই সংকটের সমাধানে তৎকালীন বিধান দাতা যে পথ বেছে নিলেন, তা কোনোভাবেই একটি উন্নত ও চিরন্তন নৈতিকতার পরিচয় বহন করে না। নির্দেশ দেওয়া হলো— একজন প্রাপ্তবয়স্ক, দাড়ি-গোঁফ বিশিষ্ট যুবককে ঘরের গৃহকর্ত্রী তাঁর স্তন্যদুগ্ধ পান করাবেন, যাতে তাদের মধ্যে একটি কৃত্রিম মাতৃত্বের সম্পর্ক তৈরি হয় এবং পর্দার বিধান শিথিল হয়। যে ধর্ম ‘হায়া’ বা লজ্জাশীলতাকে ঈমানের অঙ্গ বলে দাবি করে, সেই ধর্মের মূল আইনপ্রণেতা কীভাবে একজন প্রাপ্তবয়স্ক পরপুরুষকে নারীর স্তন্যপানের মতো একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও শারীরিক কাজের অনুমতি দিতে পারেন? পর্দা রক্ষার মতো একটি কৃত্রিম সামাজিক নিয়মকে টিকিয়ে রাখার জন্য যে আইনি ফাঁকফোকর তৈরি করা হলো, তা মানবীয় সম্পর্কের পবিত্রতাকেই চরমভাবে ক্ষুণ্ন করে। পরবর্তীতে এই দুধপানের পদ্ধতি নিয়ে ফকীহদের মধ্যে যে সমস্ত কদর্য বিতর্ক তৈরি হয়েছে— যেমন সরাসরি স্তন চুষে খেতে হবে নাকি পাত্রে ঢেলে খেতে হবে— তা কোনো স্বর্গীয় আলোর প্রকাশ নয়, বরং মানুষের আদিম মনস্তত্ত্বের এক জটিল রূপ মাত্র। এই বিধানটি পবিত্র পারিবারিক পরিবেশকে এক ধরণের প্রাতিষ্ঠানিক স্খলনের দিকে ঠেলে দেয়, যা সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্টতম গলি বা বেশ্যালয়ের সস্তা নিয়মের মতোই ঠেকে, যেখানে যেকোনো উপায়ে আইনকে নিজেদের স্বার্থে বাঁকানো যায়। সমাজের এই চরম ভণ্ডামিকে লাথি মেরে ভেঙে ফেলার সময় এসেছে।

​এই দুধপান সংক্রান্ত বিতর্কের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি আসে এর আইনি উৎসের বিলুপ্তি নিয়ে। উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা.) থেকে সুনানে ইবনে মাজাহ এবং মুসনাদে আহমাদে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, প্রাপ্তবয়স্কের দুধপান এবং ব্যভিচারের শাস্তি ‘রজম’ সংক্রান্ত আয়াতটি একটি কাগজের টুকরোয় লিখিত অবস্থায় তাঁর খাটের নিচে রাখা ছিল। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওফাতের পর, যখন সাহাবীগণ তাঁর দাফন কার্যে ব্যস্ত ও শোকাচ্ছন্ন ছিলেন, তখন একটি গৃহপালিত ছাগল বা বকরি ঘরে প্রবেশ করে সেই লিখিত অংশটি খেয়ে ফেলে। এই একটিমাত্র ঐতিহাসিক বিবরণ সমগ্র ধর্মতত্ত্বের সবচেয়ে বড় দাবিটিকে ধূলিসাৎ করে দেয়। কুরআনে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, এর একটি অক্ষরও পরিবর্তন বা ধ্বংস করা সম্ভব নয়, কারণ এর সুরক্ষার দায়িত্ব স্বয়ং ঈশ্বরের। কিন্তু একটি সামান্য ছাগলের খাদ্য তালিকায় পরিণত হয়ে ঈশ্বরের বাণী চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে— এটি কোনো পরম শক্তিশালী সর্বজ্ঞ সত্তার লক্ষণ হতে পারে না। যে বাণীকে মহাবিশ্বের সবচেয়ে পবিত্র এবং অপরিবর্তনীয় জ্ঞান বলে প্রচার করা হয়, তা একটি পশুর পেটে গিয়ে হজম হয়ে মলে রূপান্তরিত হচ্ছে— এই দৃশ্যপটটি চরম বাস্তবধর্মী এবং ব্যাঙ্গাত্মক। ঈশ্বর যদি তাঁর নিজের প্রেরিত আইনকে একটি ছাগলের মুখ থেকে রক্ষা করতে না পারেন, তবে সেই আইনের সার্বজনীনতা এবং পরম পবিত্রতার দাবি এক নিমিষেই এক বিরাট তামাশায় পরিণত হয়। যে বাণীকে মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার বাণী বলা হচ্ছে, তা যখন একটা পশুর পেটের ভেতর মল কিংবা পায়খানার গো-তে পরিণত হয়, তখন সেই ঈশ্বরের ক্ষমতা এবং পবিত্রতা সমাজের সবচেয়ে তুচ্ছ ও নিকৃষ্টতম বস্তুর সমান্তরালে নেমে আসে। যদি যুক্তি দেওয়া হয় যে সাহাবীদের মনে এই আয়াত মুখস্থ ছিল, তবে প্রশ্ন ওঠে— ছাগলে খাওয়ার পর কেন সেই আয়াতটি পুনরায় কুরআনের পাতায় লিপিবদ্ধ করা হলো না? আয়েশা (রা.) আজীবন আফসোস করেছেন যে আয়াতটি হারিয়ে গেছে। এর অর্থ দাঁড়ায়, বর্তমানের গ্রন্থটি সম্পূর্ণ নয়, বরং এর কিছু অংশ ইতিহাসের এক অন্ধকার কোণে একটি পশুর পেটে হারিয়ে গেছে। একে কি অন্ধ বিশ্বাসীরা ঈশ্বরের অলৌকিকতা বলবে, নাকি তাদের নিজেদের অক্ষমতার এক চূড়ান্ত নোংরামি?

​ছাগলে আয়াত খাওয়ার পর যে ট্র্যাজেডি তৈরি হলো, তা খলিফাদের আমলেও ভয়ঙ্কর দ্বিচারিতা ও রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বকে উন্মোচন করে। সহীহ বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনা অনুযায়ী, খলিফা ওমর খুতবার মঞ্চে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলেছিলেন, "মানুষ বলবে ওমর আল্লাহর কিতাবে নিজের পক্ষ থেকে বাড়িয়ে দিয়েছে, তা না হলে আমি এই রজমের (পাথর ছুড়ে হত্যার) আয়াতটি কুরআনের পাতায় লিখে দিতাম।" এখানেই প্রশ্ন জাগে— একজন প্রতাপশালী খলিফা সমাজ বা জনগণের সমালোচনার ভয়ে ঈশ্বরের একটি হারিয়ে যাওয়া আইনকে কিতাবে অন্তর্ভুক্ত করতে ভয় পেলেন? ঈশ্বরের আইনের চেয়ে কি তৎকালীন আরবের মানুষের পরনিন্দা ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বড় ছিল? আয়েশা (রা.) দাবী করছেন আয়াতটি সত্য এবং তা হারিয়ে গেছে, ওমর স্বীকার করছেন আয়াতটি সত্য কিন্তু তিনি মানুষের ভয়ে তা লিখতে পারছেন না— এই যে এক চরম প্রাতিষ্ঠানিক ও মনস্তাত্ত্বিক খিঁচুনি, তা প্রমাণ করে যে কুরআনের সংকলন কোনো নিখুঁত ঐশ্বরিক গাইডলাইন মেনে হয়নি। বরং তা হয়েছে তৎকালীন ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, মানুষের অন্ধ সামাজিক ভীতি এবং চরম গোঁজামিলের ওপর ভিত্তি করে। ঈশ্বরের বাণী কি এতটাই সস্তা যে তা খলিফাদের রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশের বলি হবে? এই ধরণের দ্বিচারিতাকে যদি পবিত্রতা বলা হয়, তবে অপবিত্রতা বা নোংরামির সংজ্ঞা নতুন করে লিখতে হবে।

​এই বিধানটির অসারতা ও মানবীয় দুর্বলতা আরও স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় স্বয়ং মহানবীর স্ত্রীদের মধ্যকার তীব্র বিরোধের মাধ্যমে। হযরত আয়েশা (রা.) ব্যতীত অন্য কোনো উম্মুল মু’মিনীন এই প্রাপ্তবয়স্কের দুধপানের বিধানটিকে মেনে নেননি। উম্মে সালামা (রা.) স্পষ্টভাবে আয়েশা (রা.)-কে বলেছিলেন যে, এটি আল্লাহর রাসূলের পক্ষ থেকে কেবল সালিমের জন্য একটি বিশেষ ছাড় বা ব্যতিক্রম ছিল, এটি কোনো সার্বজনীন আইন নয়। এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বটি পরিষ্কার করে যে, ঈশ্বরের পাঠানো আইন যদি এতটা স্পষ্ট এবং পবিত্র হতো, তবে তা নিয়ে নবীর নিজের স্ত্রীদের মধ্যেই এমন তীব্র মতবিরোধ তৈরি হতো না। আয়েশা (রা.) যেভাবে এই নিয়মটি ব্যবহার করে পরপুরুষদের নিজের ঘরে আসার অনুমতি দিতেন, তা অন্যান্য স্ত্রীদের কাছে অত্যন্ত আপত্তিকর মনে হয়েছিল। নবীর অন্দরমহলের এই কদা ছোড়াছুড়ি আর পারস্পরিক অবিশ্বাস প্রমাণ করে যে, তথাকথিত পবিত্র ঘরের ভেতরটাও ছিল সাধারণ মানুষের হিংসা, ক্ষোভ আর নোংরা রাজনীতির আঁতুড়ঘর। এটি কোনো সার্বজনীন নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য আসেনি, বরং এটি ছিল তৎকালীন কিছু মানুষের ব্যক্তিগত সুবিধা বা ঘরের অভ্যন্তরীণ জটিলতা ঢাকার একটি সাময়িক জোড়াতালির সমাধান।

​ইসলামী ধর্মতত্ত্বের সবচেয়ে বড় খুঁটি হলো— কুরআনের কোনো সংস্করণ নেই, এটি শুরু থেকেই অপরিবর্তিত। কিন্তু 'রদা'আতুল কুবরা' এবং 'রজম' এর আয়াত ছাগলে খেয়ে ফেলার পর যখন তা চিরতরে কিতাব থেকে বাদ পড়ে গেল, তখন এই অপরিবর্তনীয়তার বেলুনটি এক ফুঁৎকারে ফুটে যায়। যদি ঈশ্বরের বাণী কোনো পশুর পেটে গিয়ে 'রহিত' (বাতিল) হয়ে যেতে পারে, তবে মানুষের তৈরি অন্য যেকোনো সাধারণ বইয়ের সাথে এই তথাকথিত আসমানী কিতাবের তফাত রইল কোথায়? সমালোচনার পারদ আরও চড়ে যখন আমরা দেখি, এই হারিয়ে যাওয়া বিধানগুলো নিয়ে পরবর্তী যুগের আলেম ও মুফতিরা সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিতে 'নাসখ' বা 'রহিতকরণ' এর এক অদ্ভুত থিওরি আবিষ্কার করলেন। তারা দাবি করলেন— "আয়াতের তিলাওয়াত রহিত হয়ে গেছে কিন্তু বিধান রয়ে গেছে।" অর্থাৎ, যে আয়াতটি কুরআনে পড়াই যাবে না, সেটি নাকি আইন হিসেবে কার্যকর থাকবে! এটি কি কোনো সুস্থ মস্তিস্কের আইনপ্রণেতার কাজ হতে পারে, নাকি এটি নিজেদের ভুল ও কিতাবের অপূর্ণতাকে ঢাকার জন্য মোল্লাতন্ত্রের এক চরম আইনি গোঁজামিল ও ভণ্ডামি? এই হাস্যকর থিওরি প্রমাণ করে যে, ধর্মটি কোনো স্বর্গীয় নিখুঁত ছকে তৈরি হয়নি, বরং এটি ছিল তৎকালীন আরবের মানুষের তাৎক্ষণিক ক্ষমতার রাজনীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিশৃঙ্খলা ঢাকার এক নোংরা ডাস্টবিন।

​পরবর্তী যুগে যখন ফকীহ ও ইমামগণ এই হাদীসগুলো নিয়ে আইনি কাঠামো তৈরি করতে বসলেন, তখন তারা এক চরম গোলকধাঁধায় পড়লেন। ইমাম আবু হানীফা, ইমাম মালেক এবং ইমাম শাফেয়ী— সকলেই বুঝতে পেরেছিলেন যে, প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দুধপানের এই নিয়ম যদি সমাজে ঢালাওভাবে চালু করে দেওয়া হয়, তবে তা পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে একটি নৈতিক ডাস্টবিনে পরিণত করবে। যেকোনো পরপুরুষ যেকোনো নারীর দুধ পান করে ঘরে ঢুকে পড়ার আইনি বৈধতা পেয়ে যাবে, যা ব্যভিচার এবং সামাজিক অনাচারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবে। তাই তারা এই হাদীসটিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এটিকে ‘রহিত’ বলে ঘোষণা করলেন। কিন্তু এখানেই বড় যৌক্তিক প্রশ্নটি জাগে: যদি এটি রহিতই হয়ে থাকবে, তবে তা ছাগলে খাওয়ার মাধ্যমে কেন রহিত হতে হলো? ঈশ্বর কি তাঁর আইন পরিবর্তন করার জন্য কোনো নতুন ওহী পাঠাতে পারতেন না? একটি ছাগলকে দিয়ে আয়াত খাইয়ে আইন রহিত করার এই অদ্ভুত ঐশ্বরিক নাট্যমঞ্চ আধুনিক যুগের কোনো বুদ্ধিদীপ্ত ও যুক্তিবাদী মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া অসম্ভব। এটা কোনো পবিত্র ধর্ম হতে পারে না, এটা হলো একদল ধূর্ত মোল্লা আর ফকীহদের সমাজকে নিজেদের হাতের পুতুল বানিয়ে রাখার নিকৃষ্টতম নীল নকশা।

​রদা’আতুল কুবরা, ছাগলে আয়াত খাওয়া এবং সাহাবীদের এই রাজনৈতিক ভীতি— ইসলামের ইতিহাসের এমন এক অন্ধকার অধ্যায়, যা নিয়ে গভীরভাবে ভাবলে তথাকথিত পবিত্রতার সমস্ত দেয়াল ভেঙে পড়ে। স্তন্যপানের মতো একটি শারীরিক বিষয়কে ধর্মের পবিত্র পর্দার আড়ালে নিয়ে আসা এবং একটি পশুর কামড়ে ঈশ্বরের বাণীর হারিয়ে যাওয়া— এই ঘটনাগুলো প্রমাণ করে যে, এই ধর্মতত্ত্ব কোনো পরম নিখুঁত ঈশ্বরের সৃষ্টি নয়। বরং এটি মরুভূমির একদল মানুষের সমকালীন চিন্তাভাবনা, সামাজিক বিশৃঙ্খলা এবং জোড়াতালি দেওয়া কিছু নিয়মের সমষ্টি মাত্র, যা আধুনিক সভ্যতার আলোয় এসে সম্পূর্ণ কদর্য, অর্থহীন এবং আবর্জনা বলে প্রমাণিত হয়। এই বিবরণগুলো স্বয়ং ঈশ্বর এবং নবীকে কোনো পরম উচ্চতায় রাখে না, বরং তাদের তৈরি করা নিয়মগুলোকে সমাজের নিকৃষ্টতম ও কদর্য উপাদানের সমান্তরালে নামিয়ে আনে। সমাজকে এই অন্ধত্ব আর ভণ্ডামি থেকে মুক্ত করার জন্যই আমার এই লেখনী, যা কোনো আক্রোশ নয়— বরং এক নির্মম ও উলঙ্গ সত্যের প্রকাশ।

Comments

    Please login to post comment. Login