উত্তরাধিকার
♦️
অন্ধকার স্বর্গ নামিয়ে আনে। ভয়ে কুঁচকে যাই। স্বর্গরে লাগে নরক। এপাশ-ওপাশ থেকে এটাসেটা আক্রমণের তাগিদে এগিয়ে আসে। আলোহীন বাতাসার স্বাদ পেতে পেতে মরণের ছোঁয়ায় স্বস্তির ঢেকুর তুলি। খাটের তলা থেকে পায়া-ভাঙা কাঠঠোকরো এসে আমায় ঠুকরাতে থাকে। কলাবাগানের হাবিজাবি ঘাস ডিঙিয়ে জানলা টপকে আসে আঠারো ফুট গোখরো, গোগ্রাসে আমারে গিলতে থাকে।
অন্ধকার, স্বর্গ, নরক, বাতাসা, কাঠঠোকরো, গোখরো—কেউই আমারে নিতে পারে না; কারণ, আমি নিজেরে সমর্পণ করেছি এমন কারোর কাছে, যে গ্রহণই করেনি। সবশেষে চন্দ্র আমারে গ্রহণ করে। আমি আরেকটা চন্দ্র হইয়া তারে মুগ্ধ করি। মুগ্ধতার মেলা, বান্ধব খেলা দেখাই। অন্ধকারের স্বর্গ নামাই, নরক ডুবাই।
হাহাকার
♦️
দিনশেষের খাটুনি মাড়িয়ে পায়ের পর পা। ঋণের বোঝা এ কাঁধ থেকে ও কাঁধে, তবুও সাধ জাগে। স্বাদ লাগে। আনন্দহীন আনন্দের তরে আনন্দবাজারে যাবার আকাঙ্ক্ষা।
খাকি পোশাকে সশস্ত্র শুয়োরেরা দাঁড়িয়ে আছে, মজুরি জুটে না মজুরের কপালে। বুকে বিদগ্ধ আড়াই ইঞ্চি স্প্রিন্টার। বাঘ হয়ে ভাগাভাগির খেলায় মেতেছে সার্কাসের জোকাররা। যতই হোক শোক-ক্ষোভ; সবার আগে সাম্রাজ্যবাদী চোখ।