ফারহানা বেগম সোফায় বসে কাঁদছেন। রাবেয়া বেগম তাকে সামলাতে ব্যস্ত।
ঠিক তখনই— বাইরে গাড়ির শব্দ। একটা থেমে যাওয়া মুহূর্ত।
ফারহানা বেগম, রাবেয়া বেগম— দুজনেই চুপ। কারো সাহস হচ্ছে না কিছু জিজ্ঞেস করার।
কিছুক্ষণ পর মাথা নিচু করে বললেন—
“ওকে বিদায় করে নিজের সম্মান বাঁচাতে পারলেই আমি শান্তি।
" এটা তো ওর সারাজীবনের ব্যাপার। সিদ্ধান্তটা বুঝে শুনে নিন।
ইশতিয়াক শেখ উঠে দাঁড়িয়ে গেলেন। ফারহানা বেগম ভয়ে দু’কদম পিছিয়ে গেলেন।
“আমি যা বলেছি তাই হবে। এর উপরে একটা কথাও হবে না।
দরজার আড়ালে ইনায়া দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সব কথা শুনেছে ।
শব্দটা ইনায়ার কানে বারবার বাজছে। প্রতিবার তাকে একটু একটু করে ভেঙে দিচ্ছে।