Posts

প্রবন্ধ

নষ্ট জেনারেশন

June 17, 2026

Md Josam

Original Author মোঃ জসিম

Translated by মোঃ জসিম

7
View

নষ্ট জেনারেশন
মোবাইলের পর্দা জ্বলছে অবিরাম। সারা পৃথিবী জুড়ে এই ছোট্ট আয়নাগুলো মানুষের জীবনকে গ্রাস করে ফেলেছে। টিকটক, ইনস্টাগ্রাম রিলস, ইউটিউব শর্টস—এই প্ল্যাটফর্মগুলো হয়ে উঠেছে অশ্লীলতার বিশাল কারখানা। যুবতীরা, কিশোরীরা, এমনকি শিশুসুলভ বয়সের মেয়েরা শরীর দিয়ে নাচছে। হিপস ঘোরানো, বুক ঝাঁকানো, পিছন উঁচু করে ঘষা, শরীরের প্রতিটি অংশকে উন্মুক্ত করে দেওয়া—এই মুভমেন্টগুলো অশ্লীলতার চূড়ান্ত রূপ ধারণ করেছে। পোশাক বলতে যা আছে তা শরীরের সামান্য অংশ ঢাকার জন্য, বাকিটা পুরোপুরি উন্মুক্ত করে লালসার আমন্ত্রণ জানানো। লাইক, ভিউ, ফলোয়ার্সের জন্য শরীরকে পণ্য বানানো হয়েছে পুরোপুরি। এই নষ্ট জেনারেশনের গল্প পুরো জাতির, পুরো সমাজের, পুরো পৃথিবীর। কোনো ব্যক্তিগত কাহিনী নয়, শুধু সম্মিলিত ধ্বংসের চিত্র।
২০২০ সালের পর থেকে এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়েছে। লকডাউনের সময় মোবাইল হয়ে উঠলো একমাত্র বিনোদন এবং জীবিকার মাধ্যম। কিন্তু সেই জানালা দিয়ে ঢুকেছে বিষাক্ত ধারা। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথমে ছড়িয়েছে এই অশ্লীলতা। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল—গ্রাম থেকে শহর, শহর থেকে মেগাসিটিতে। মেয়েরা মোবাইলের সামনে দাঁড়িয়ে নাচ শুরু করেছে। প্রথমে সাধারণ নাচ, তারপর ধীরে ধীরে কাপড় কমতে থেকেছে। শর্ট টপস, লেগিংস যা শরীরের কনট্যুর স্পষ্ট করে দেয়, তারপর আরো খোলামেলা ড্রেস। অ্যালগরিদম এই কনটেন্টকে পুরস্কৃত করেছে। ভিউ লাখে পৌঁছেছে, ফলোয়ার্স কোটিতে। গ্রামের মেয়েরা যারা আগে ঘরের কাজে ব্যস্ত থাকতো, তারা এখন রাত জেগে শরীর দেখিয়ে আয় করছে। সমাজ দেখছে কিন্তু প্রতিরোধ করছে না। বরং এটাকে স্বাভাবিক করে নিয়েছে।
এই ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এশিয়ায়। চীনে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের জগতে মেয়েরা খাবার খাওয়ানোর নামে শরীর ঘষছে, নাচছে, শরীরের অঙ্গভঙ্গি করে দর্শকদের আকৃষ্ট করছে। জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় কে-পপ এবং জে-পপের আড়ালে সেক্সুয়াল কনটেন্টের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ায় ঐতিহ্যবাহী নাচ মুছে গিয়ে ওয়েস্টার্ন অশ্লীল ডান্স চলে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব, ইরান, আরব দেশগুলোতে আবায়ার আড়ালে বা অনলাইনে শরীরের ভিডিও ছড়াচ্ছে। ইরানে প্রতিবাদের নামে মেয়েরা চুল খুলে নাচছে, শরীরের ভাষায় অশ্লীলতা প্রকাশ করছে।
ইউরোপে এই অশ্লীলতা আরো তীব্র। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, স্পেন—যুবতীরা টিকটকে ওয়েস্টার্ন স্টাইলের চেয়েও উগ্র নাচে মেতেছে। হিপ থ্রাস্ট, বুটি শেক, টুইকিং—প্রতিটি মুভমেন্ট শরীরের যৌনতাকে সর্বোচ্চ করে তুলছে। আমেরিকায় জেনারেশন জেড পুরোপুরি এতে ডুবে গেছে। টিকটক চ্যালেঞ্জের নামে শরীরের প্রতিটি অংশ এক্সপোজ করা হচ্ছে। লাতিন আমেরিকায় ব্রাজিল, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনায় কার্নিভালের নাচও মোবাইলের জন্য আরো নগ্ন এবং অশ্লীল হয়ে উঠেছে। আফ্রিকায় নাইজেরিয়া, কেনিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ঘানা—মোবাইল ডেটা সস্তা হওয়ায় গ্রামের মেয়েরা পর্যন্ত ওয়েস্টার্ন অশ্লীলতা নকল করছে। তাদের ঐতিহ্যবাহী আফ্রিকান নাচ মুছে গিয়ে সেক্সি ডান্স চলে এসেছে। পুরো মহাদেশ জুড়ে একই ছবি।
এই অশ্লীলতা শুধু নাচের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটা সংস্কৃতির পুরোপুরি মৃত্যু। ঐতিহ্যবাহী নাচ, গান, লোকসংস্কৃতি সব অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। তার জায়গায় এসেছে একই ধরনের শরীরী নাচ—হিপ হপ, টুইকিং, থট ডান্স, বডি রোল। প্রতিদিন নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে। মেয়েরা প্রতিযোগিতায় নেমেছে কে কত বেশি অশ্লীল হতে পারে। পোশাক ছোট হচ্ছে, মুভমেন্ট আরো উগ্র হচ্ছে। অ্যালগরিদম এমনভাবে ডিজাইন করা যে একটা অশ্লীল ভিডিও দেখলে পরেরটা আরো অশ্লীল, আরো আকর্ষক। ডোপামিনের লুপ তৈরি হয়ে মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ছে। ছেলেরা প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ এই ভিডিও দেখে। তাদের মস্তিষ্কে যৌনতার ছবি ভরে যাচ্ছে। বাস্তব জীবনে তারা আর স্বাভাবিক সম্পর্ক চায় না। শুধু ভোগ চায়, শরীরী আকাঙ্ক্ষা চায়।
শিক্ষা ব্যবস্থার ধ্বংস অবর্ণনীয়। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে বসে ফোন স্ক্রল করে। টিচাররা পড়ান কিন্তু কেউ শোনে না। মনোযোগ শুধু পরের ভাইরাল ভিডিওতে। ছেলেরা মেয়েদের শরীর দেখে কল্পনা করে। মেয়েরা নিজেদের শরীরকে অস্ত্র বানিয়ে ভাবে এটাই তাদের একমাত্র ক্যাপিটাল। ড্রপআউট রেট বিশ্বব্যাপী বেড়েছে। মনোযোগের স্প্যান আট সেকেন্ডে নেমে এসেছে। বই পড়ার ধৈর্য নেই। দীর্ঘ চিন্তা করার ক্ষমতা লোপ পেয়েছে। সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞানের গভীর চর্চা শেষ। সবাই সারফেস লেভেলে থেকে যাচ্ছে। শর্ট ভিডিওর অভ্যাস মস্তিষ্ককে এমনভাবে পরিবর্তন করেছে যে জটিল সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা কমে গেছে। গবেষণায় দেখা গেছে শর্ট-ফর্ম ভিডিও অ্যাডিকশন ছাত্রদের একাগ্রতা নষ্ট করে দিচ্ছে।
সম্পর্কের জগতে ধ্বংস আরো গভীর। বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী। স্বামী-স্ত্রী একে অপরের শরীরে আকর্ষণ অনুভব করে না। কারণ মোবাইলে প্রতি রাতে হাজার হাজার নতুন অশ্লীল শরীর। পর্নোগ্রাফি এবং সেক্সুয়াল কনটেন্টের ব্যবহার বিয়ে ভাঙার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। ডেটিং অ্যাপে সোয়াইপ করে এক রাতের সম্পর্ক। তারপর নেক্সট। প্রেম বলতে কিছু নেই, শুধু শারীরিক আকাঙ্ক্ষা। ডিভোর্স রেট আকাশছোঁয়া। বিভিন্ন দেশে সোশ্যাল মিডিয়া এবং পর্ন অ্যাডিকশন ডিভোর্সের বড় কারণ। সন্তান জন্মাচ্ছে কিন্তু পরিবার নেই। বাবা-মা দুজনেই ফোনে ব্যস্ত। শিশুরা বড় হচ্ছে স্ক্রিনের সামনে। তাদের মাথায় ঢুকে যাচ্ছে অশ্লীলতাই স্বাভাবিক। আট-দশ বছরের বাচ্চারা যৌনতার ভিডিও দেখছে। টিকটকে হাইপারসেক্সুয়ালাইজড কনটেন্ট শিশুদের মস্তিষ্ক নষ্ট করছে। পরবর্তী প্রজন্ম আরো নষ্ট, আরো অশ্লীল, আরো অস্থির।
মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা ভয়াবহ। ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি, সুইসাইড রেট বেড়েছে সব দেশে। যুবক-যুবতীরা নিজেদের শরীরকে ঘৃণা করে। ফিল্টার করা পারফেক্ট শরীর দেখে নিজেকে অপূর্ণ মনে হয়। বডি ইমেজ ইস্যু বেড়েছে। প্লাস্টিক সার্জারি ব্যবসা ফুলে উঠেছে। বুক বড় করা, নিতম্ব বড় করা, ঠোঁট ফোলানো—সব চলছে শরীরকে আরো অশ্লীল করে তোলার জন্য। কিন্তু সন্তুষ্টি নেই। সবসময় আরো বেশি চাই। আসক্তি বাড়ছে। ঘুম নেই, খাওয়া নেই, শুধু স্ক্রলিং। টিকটকের অ্যালগরিদম মেন্টাল হেলথ কনটেন্টকে পুশ করে, যা আরো নেগেটিভ চিন্তা ছড়ায়। ঘুমের সমস্যা, অ্যাটেনশন ডেফিসিট, সেল্ফ-হার্ম বেড়েছে।
অপরাধের হার বেড়েছে। রেপ, মলেস্টেশন, সেক্সুয়াল অ্যাসল্টের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ মোবাইলে অশ্লীলতা সহজলভ্য। ছেলেরা প্রতিদিন নগ্নতা দেখে দেখে বাস্তব আর ভার্চুয়ালের সীমা ভুলে যায়। মেয়েরা রাস্তায় বের হলে তাদের শুধু শরীর হিসেবে দেখা হয়। চাইল্ড পর্নোগ্রাফির বাজার ফুলে ফেঁপে উঠেছে। ডার্ক ওয়েবে সবকিছু পাওয়া যায়। টিকটকে হাইপারসেক্সুয়ালাইজড কনটেন্ট শিশুদের টার্গেট করছে। পুলিশ অসহায়, সরকার চুপ। কারণ এতে অর্থনীতি চলছে। অ্যাড রেভেনিউ, ডেটা বিক্রি, এনগেজমেন্ট টাইম বাড়ছে। পুঁজিবাদ এই অশ্লীলতাকে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করছে।
সমাজের কাঠামো ভেঙে পড়ছে। ধর্মীয় মূল্যবোধ নেই। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নেই। পরিবার ব্যবস্থা ধ্বংস। বৃদ্ধরা একা। যুবকরা তাদের দেখে না। সবাই নিজের লালসায় ব্যস্ত। রাস্তাঘাটে মানুষ হাঁটে কিন্তু কথা বলে না। সবার হাতে ফোন, চোখ নিচু, মাথা নিচু। সমাজ একটা বড় অন্ধকার গহ্বরে পরিণত হয়েছে। অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ছে। প্রোডাক্টিভিটি কমছে। অফিসে কর্মীরা কাজ না করে রিলস দেখে। ফ্যাক্টরিতে উৎপাদন কম। কৃষিতে যুবকরা যায় না। সবাই ইনফ্লুয়েন্সার হতে চায় কিন্তু বেশিরভাগ ব্যর্থ। তারা শুধু অশ্লীলতা ছড়িয়ে যায়।
ভবিষ্যৎ আরো ভয়ংকর। ২০৩০-এর দিকে পুরো প্রজন্ম স্ক্রিনে বন্দি। ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে অশ্লীলতা আরো নিমজ্জিত হবে। রোবট সেক্স স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। প্রাকৃতিক সম্পর্ক শেষ। জন্মহার কমছে। মানুষের জাতি ধীরে ধীরে নিজেকে নিঃশেষ করে ফেলছে। শরীর আছে কিন্তু আত্মা নেই। চোখ আছে কিন্তু দৃষ্টি নেই। মন আছে কিন্তু চিন্তা নেই।
এই ধ্বংসের বিস্তার আরো বিশদে দেখা যাক। দক্ষিণ এশিয়ায় গ্রামীণ এলাকায় মোবাইল ডেটার সস্তা হয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মেয়ে অনলাইন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়েছে। তারা ঘরের ভিতরে বসে শরীর দেখিয়ে আয় করে। এতে পরিবারের ঐতিহ্য ভেঙে যাচ্ছে। সমাজের নৈতিকতা কমছে। শহরে অফিসে যুবকরা কাজের সময়ও রিলস দেখে। প্রোডাক্টিভিটি কমে যাচ্ছে। ইউরোপে যুবকদের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাডিকশন মেন্টাল হেলথ ক্রাইসিস তৈরি করেছে। আমেরিকায় টিনেজারদের মধ্যে ডিপ্রেশনের হার বেড়েছে। আফ্রিকায় ঐতিহ্যবাহী সমাজ ভেঙে পড়ছে ওয়েস্টার্ন অশ্লীলতায়। মধ্যপ্রাচ্যে সাংস্কৃতিক সংঘাত বাড়ছে।
অশ্লীল নাচের ধরন আরো বিস্তারিত। টিকটকে ভাইরাল চ্যালেঞ্জে মেয়েরা পিছন ফিরে হিপ মুভ করে, শরীর ঘুরিয়ে বুক দেখায়, মেঝেতে শুয়ে শরীরের অঙ্গভঙ্গি করে। পোশাক এত ছোট যে শরীরের বেশিরভাগ অংশ উন্মুক্ত। মেকআপ অতিরিক্ত, চোখের ভাষা প্রলোভনময়। এই ভিডিওগুলো দেখে ছেলেরা আসক্ত হয়। তাদের যৌনতার ধারণা বিকৃত হয়ে যায়। সমাজে নারীদের শুধু যৌন বস্তু হিসেবে দেখা হয়। এতে লিঙ্গ বৈষম্য বাড়ছে। মেয়েরা নিজেদের মূল্য শুধু শরীরে খুঁজছে।
শিক্ষার ক্ষেত্রে আরো বিস্তার। বিশ্বব্যাপী ছাত্ররা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ভিডিও বানায়। পরীক্ষায় ফেল করছে। টেকনিক্যাল স্কিল, ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং কমছে। ভবিষ্যতে এই প্রজন্ম কোনো জটিল সমস্যা সমাধান করতে পারবে না। অর্থনৈতিকভাবে দেশগুলো পিছিয়ে পড়বে।
সম্পর্কে আরো গভীর ধ্বংস। ডিভোর্সের কারণ হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়া এবং পর্ন শীর্ষে। স্বামী অন্য মেয়েদের ভিডিও দেখে স্ত্রীকে অসন্তুষ্ট করে। স্ত্রীও একই। সন্তানরা এই পরিবেশে বড় হয়ে একই চক্রে পড়ে। পরিবার ভাঙছে, সমাজ ভাঙছে।
মানসিক স্বাস্থ্যে বিস্তারিত প্রভাব। ঘুমের অভাবে শরীর দুর্বল। অ্যাংজাইটি থেকে প্যানিক অ্যাটাক। সুইসাইডাল থটস বাড়ছে। বডি শেমিংয়ের কারণে ইটিং ডিসঅর্ডার। প্লাস্টিক সার্জারির ঝুঁকি বেড়েছে।
অপরাধ বৃদ্ধির বিস্তার। সেক্সুয়াল ক্রাইম বেড়েছে কারণ কনটেন্ট দেখে অনুকরণ করছে। চাইল্ড অ্যাবিউজ কেস বাড়ছে। সমাজে নিরাপত্তা কমছে।
এই নষ্ট জেনারেশন চলছে অবিরাম। প্রতি সেকেন্ডে নতুন ভিডিও আপলোড। প্রতি মিনিটে লক্ষ লক্ষ লাইক। প্রতি ঘণ্টায় কোটি কোটি মানুষ অশ্লীলতায় ডুবছে। গ্রাম-শহর, দেশ-মহাদেশের সীমা নেই। সারা পৃথিবী একই অন্ধকারে। মেয়েরা নাচছে শরীর বিক্রি করে। ছেলেরা দেখছে মস্তিষ্ক বিক্রি করে। সমাজ দেখছে আর চুপ করে আছে। কোনো প্রতিরোধ নেই। শুধু ধ্বংসের গতি বাড়ছে।
এই ধ্বংস আরো গভীরে চলবে। আরো অন্ধকারে। মানবজাতি তার নিজের তৈরি অশ্লীলতার জালে আটকে ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাবে। কোনো উদ্ধারের আলো নেই। শুধু নষ্ট হয়ে যাওয়া। পুরো পৃথিবী জুড়ে নষ্ট জেনারেশনের অবিরাম বিস্তার।

নষ্ট জেনারেশন
 

Comments

    Please login to post comment. Login