অভিমান ধীরে ধীরে কষ্টে পরিণত হয়।আর সেই কষ্ট তাকে ভিতর থেকে ভেঙে দিচ্ছে।
একটা সময় ইনায়ার মনে অন্ধকার একটা চিন্তা আসে।
" আমি নিজেকে শেষ করে দিলে হয়তো সব কষ্ট থেমে যাবে।আমি কি বিষ খাবো?
বলেই আবার কান্নায় ভেঙে পড়ে সে।
ইহান বাসায় নেই।এই অনুপস্থিতিটা যেন তাকে আরও একা করে দেয়।
সারাদিন ইনায়া বারবার রায়হানকে ফোন দেয়। কিন্তু প্রতিবারই সেই পরিচিত মহিলার কন্ঠ,
"আপনি যে নাম্বার টি তে ফোন দিয়েছেন তা এই মুহূর্তে বন্ধ আছে।
প্রতিটা ব্যর্থ কল যেন তার বুকটা একটু একটু করে ভেঙে দিচ্ছে।
"খোলো মা। তোমার বাবা আমাকে পাঠিয়েছে। রাগ করো না। নিচে চলো মা।
ইনায়া কাঁপা হাতে দরজা খোলে। চোখ লাল হয়ে আছে, মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।
রাবেয়া বেগম ভেতরে এসে ইনায়াকে জড়িয়ে ধরে।
"পারবে তুমি মা। নিচে যেতে হবে, লোকজন এসে পরেছে।
কথাটা শুনেই ইনায়ার বুকটা কেঁপে ওঠে। চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ে।
ইনায়ার বুকের ভেতর ধুকধুক শব্দটা যেন আরও জোরে শোনা যায়।
এই একটা শব্দ ইনায়াকে ভেঙে চূড়মার করে দেয়।
"আপনি কোথায় ছিলেন? আমাকে দেখতে আসছে। কিছু করেন প্লিজ।আমি আপনাকে ছাড়া বাঁচবো না।