" তাড়াতাড়ি নিচে আসো।কতক্ষণ যাবত বসে আছি।
ইনায়া থমকে যায়। কান্নার মাঝেই অবিশ্বাস নিয়ে বলে,
" তুমি তাড়াতাড়ি নিচে আসো।আমি নিচে বসে আছি।
“আমি,,,আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।
"বিশ্বাস না হলে নিচে এসে দেখো।
ইনায়ার বুকের ভেতরটা ধক করে ওঠে। রায়হান আবার বলে—
" আপনি আগে বললেন না কেন? আমি তো কান্না করতে করতে চেহারার বারোটা বাজিয়ে ফেলছি।
" হায়রে আল্লাহ।তুমি ফ্রেশ হয়ে শাড়ি টা পরে নিচে চলে আসো।
রায়হান আর কিছু না বলে কলটা কেটে দেয়।
সে আলমারি খুলে ধীরে ধীরে একটা কালো শাড়ি বের করে।
রাবেয়া বেগম অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে,
"কি রে মা।ঠিক আছিস? হঠাৎ করে হাসছিস কেন?
শাড়ির আঁচল দিয়ে মাথায় কাপড় দিয়ে চাচির সাথে ধীরে ধীরে নিচে নামে।
শার্টের হাতা হালকা গুটানো। হাতের শিরাগুলো স্পষ্ট, যা তাকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
এক হাতে মোবাইল ধরা।মাঝে মাঝে সময় দেখছে তারপর আবার চোখ গিয়ে থেমে যাচ্ছে সিঁড়ির দিকেই।
ঠোঁট শক্ত।হাসি নেই, কিন্তু সেই না-হাসার মধ্যেই একটা অদ্ভুত টান রয়েছে।
ইনায়া নিচে নামার সাথে সাথেই সবাই একসাথে ইনায়ার দিকে তাকাল।
শারমিন বেগম এর মুখে প্রশান্তির হাসি ফুটে উঠল।
আরিশা দৌড়ে এসে ইনায়ার হাত ধরল,
" ভাবি। তোমাকে কালো শাড়িতে জাস্ট ওয়াও।
রুহি পাশ থেকে ফিসফিস করে রায়হান কে বলল,
"ভাই, ভাবি তো মাশাল্লাহ অনেক সুন্দর।
রায়হান কিছুই বলল না। শুধু ইনায়ার দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিল।
শারমিন বেগম ইনায়া কে কাছে ডাকে বসালেন।
ইনায়া অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।তার চোখে পানি কিন্তু সেই পানিতে আজ কষ্ট নেই,আছে অদ্ভুত এক স্বস্তি।