হলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ডাস্টিন হফম্যান এই বছরের শেষের দিকে প্রকাশিতব্য একটি স্মৃতিকথায় ভক্তদের কাছে তার বর্ণাঢ্য জীবনের গল্প তুলে ধরবেন। পিপল ম্যাগাজিন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
‘লুক অ্যাট মি’ বইটি প্রকাশ করবে সাইমন সিক্স। মার্কিন সাংবাদিক এবং লেখক অ্যারিয়েল লেভির সঙ্গে যৌথভাবে স্মৃতিকথাটি লিখছেন ৮৮ বছর বয়সী এই অভিনেতা। এই বইতে দুইবারের অস্কারজয়ী এ অভিনেতা তার বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মজীবনের দিকে ফিরে তাকিয়েছেন এবং বার্ধক্য নিয়ে তার চিন্তাভাবনা প্রকাশ করেছেন। বইটি চলতি বছরের ১০ নভেম্বরে প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।
হফম্যান এক বিবৃতিতে বলেছেন, 'আমি জীবনের ৮৮টি অসাধারণ বছর কাটিয়েছি এবং কয়েক দশক ধরে এই স্মৃতিকথাটি লেখার চিন্তাভাবনা করেছি। অবশেষে আমি তা শেষ করতে পেরেছি। আমার এই স্মৃতিকথাটি আপনাদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।'
এদিকে প্রকাশনা সংস্থা সাইমন সিক্স বলেছে, ভক্তরা এই বইটি শেষ করার পর হফম্যানকে এবং তার চিন্তাভাবনার ধরনকে বুঝতে পারবেন। এতে ১৯৪০ এর দশকে লস অ্যাঞ্জেলেসে একজন নিম্ন মধ্যবিত্ত ইহুদি পরিবারে তার বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা, এরপর পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে অভিনয়ের জন্য নিউ ইয়র্ক সিটিতে যাওয়া এবং অবশেষে ষাটের দশকের শেষে লাইফ ম্যাগাজিনে নিজের প্রজন্মের কণ্ঠস্বর হিসেবে স্বীকৃতি লাভের পেছনের সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালের সিনেমা ‘দ্য গ্র্যাজুয়েট' এর মাধ্যমে খ্যাতি পাওয়ার আগে থিয়েটারে অভিনয় করতেন হফম্যান। এই সিনেমায় অভিনয় করে তিনি প্রথমবার অস্কার মনোনয়ন লাভ করেন। এরপর তিনি ‘মিডনাইট কাউবয়’, ‘লেনি’, ‘টুৎসি’ এবং ‘ওয়াগ দ্য ডগ’ এ অভিনয়ের জন্য আরও ছয়বার অস্কারের জন্য মনোনীত হন। তিনি ‘ক্রেমার ভার্সেস ক্রেমার’ ও ‘রেইন ম্যান’ সিনেমার জন্য দুইবার মর্যাদাবান এই পুরস্কারটি জিতে নেন। তার অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘অল দ্য প্রেসিডেন্টস মেন’, ‘হুক’, ‘আই হার্ট হাকাবিস’ এবং ‘বার্নিস ভার্সন’।