নোবেলজয়ী জাপানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরোর ‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত একই নামের একটি সিনেমার প্রথম অফিশিয়াল ট্রেলার প্রকাশ করেছে সনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্ট। এই ডিস্টোপিয়ান সায়েন্স ফিকশন ঘরানার সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা তাইকা ওয়াইতিটি।
‘ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান’ ২০২১ সালে প্রকাশিত হয়। নোবেল জয়ের তিন বছর পর ইশিগুরো এই উপন্যাসটি লিখেন। এই উপন্যাসে ইশিগুরো রোবট ক্লারার গল্প বলেছেন। ক্লারা এএফ অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ফ্রেন্ড (কৃত্রিম বন্ধু)। একাকী এবং অসুস্থ শিশুদের সাহায্য করার জন্য রোবোটিক এই ভৃত্যকে তৈরি করা হয়েছে। উপন্যাসের বর্ণনাকারী ক্লারা। বইয়ের শুরুতেই দেখা যায়, ক্লারাকে বিক্রির জন্য একটি দোকানে রাখা হয়েছে। বিক্রির অপেক্ষায় থাকা রোবটটি জানালার সামনে দাঁড়িয়ে পথচারীদের পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রত্যাশা করে কোনো একদিন একজন ক্রেতা তাকে কিনে নিয়ে যাবে।
এই সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন তাইকা ওয়াইতিটি ও ডাহভি ওয়ালার। চিত্রনাট্য লেখা ছাড়াও এটি পরিচালনাও করেছেন ওয়াইতিটি। ক্লারা চরিত্রে জেনা ওর্তেগা এবং জোসি চরিত্রে মিয়া থারিয়া অভিনয় করেছেন। অন্যান্য অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে জোসির মা ক্রিসি চরিত্রে অ্যামি অ্যাডামস এবং দোকানের ম্যানেজারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নাতাশা লিওন। সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে যুক্ত আছেন ইশিগুরো। এটি আগামী ২৩ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, কাজুও ইশিগুরো ১৯৫৪ সালে জাপানে জন্মগ্রহণ করেন এবং পাঁচ বছর বয়সে ব্রিটেনে চলে যান। তিনি ২০১৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান এবং ১৯৮৯ সালে ‘দ্য রিমেইন্স অব দ্য ডে’ উপন্যাসের জন্য বুকার প্রাইজ জিতেন। ২০০৫ সালে প্রকাশিত তার ‘নেভার লেট মি গো’ বুকার প্রাইজের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিল। তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য বই হলো, ‘দ্য বারিড জায়ান্ট’, 'দ্য আনকনসোলেড', 'আ পেল ভিউ অব হিলস', 'অ্যান আর্টিস্ট অব দ্য ফ্লোটিং ওয়ার্ল্ড'।
সূত্র: ভ্যারাইটি