গল্পের চতুর্থ অংশ অনামিকা বলল আপনার কি আমাদের মধ্যে যেটি হয়েছিল যে ডিল হয়েছিল সেটা মনে আছে তো।আমি ওর নাগ রানী হব।আর আপনি পাবেন ধন-সম্পদ আর আমরা আধিপত্য করব নাগমনির উপর। যদি একবার পেয়ে যায় ওই নাগমণি তাহলে আমরা পৃথিবী জুড়ে আধিপত্য করতে পারব। তখন নিলয় মা বলল, আমাকেও কিছুটা নাগমনি দিয়ে শক্তিশালী ও সুন্দরী ও সম্পদশালী করবে। অনামিকা বলল, অবশ্যই শাশুড়ি মা। নীলিমা ভেবে পাচ্ছিল না নিলয় কিভাবে অর্ধেক মানুষ ও অর্ধেক সাপ হতে পারে। নিলয় বুঝতে পারছিল না যে সে কিভাবে এমনটা হতে পারে। দু তিন দিন কেটে গেল নিলয় ঘর থেকে বের হলো না। নীলিমা একদিন ভালোবাসার টানে আবেগপ্রবণ হয়ে নিলয়ের কাছে গিয়ে তাকে কিছু প্রশ্ন করল। নীলিমা বলল, নিলয় তুমি সেদিন কেনো আমাদের চলে দিন গিয়েছিলে। তুমি কিভাবে ভালবাসার সাথে এত বড় ধোঁকা করতে পারলে। তখন নিলয় বলল আমি কোন ধোঁকা দেইনি ধোকা তো তুই দিয়েছিস আর আমাকে বলছিস। নীলিমা বলল আমি আবার কখন ধোকা দিলাম একটু বিষয়টা খুলে বলতো। নিলয় বললো মেহেন্দি দিন নাকি তুমি তোমার পরিবারসহ অন্য কোথাও চলে গিয়েছিলে।আমাদের পাঠানো তত্ত্ব গুলোকে ফেলে দিয়ে।তাই সেদিন রাগ করে আমার মা আমাকে অন্য কোথাও নিয়ে যান। আর তাও শুধুমাত্র একটু কম টাকার জন্য। তোমরা যে এমন লোভী আমি তা জানতাম না। তখন নীলিমা বলল কথা একটু ভেবেচিন্তে বলো। আমরা কোন তত্ত্ব ফিরে পাঠাইনি। বরং তোমরাই কোন তত্ত্ব পাঠাও নি।আর মেহেন্দির দিন পালিয়ে গিয়েছিল। তখন নিলয় বলল সত্যিই কি তাই। আমি যে কি বিশ্বাস করি আর কি না বিশ্বাস করি। তখন বলল আমি কিছু বুঝতে পারছি না তুমি এখান থেকে চলে যাও নীলিমা তখন নীলিমা সেখান থেকে চুপচাপ চলে গেল। এবং সে রহস্যের উদঘাটন করবে বলে কল্পনা করলো তার মনে এখন নানা প্রশ্ন জাগছে কিন্তু তার কোন উত্তর নেই। নীলিমা কি পারবে তার প্রশ্নের জবাব খুজে বের করতে। নীলিমা অনামিকার ওপর নজর রাখতে শুরু করলো।
গল্পের পঞ্চম অংশ কিছুটা মানে অনেকটাই দেরি করে আসবে।