ইয়োন ফসে নরওয়ের বিশিষ্ট নাট্যকার, উপন্যাসিক এবং অনুবাদক। নোবেলজয়ী এই লেখক এক সাক্ষাৎকারে তার লেখার স্টাইল এবং শৈল্পিক পদ্ধতির উপর আইরিশ নাট্যকার স্যামুয়েল বেকেটের প্রভাব স্বীকার করেছেন।
বুকার প্রাইজের ওয়েবসাইটে এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়। কোন লেখক আপনার কাজে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলেছেন? এই প্রশ্নের জবাবে ফসে বলেছেন, ‘আমি মনে করি, যে লেখকরা আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছেন তারা হলেন নরওয়েজিয়ান লেখক টারজেই ভেসাস, অস্ট্রিয়ান কবি জর্জ ট্রাকল এবং স্যামুয়েল বেকেট।'
একইসঙ্গে ৬৬ বছর বয়সী এই নোবেলজয়ী নাট্যকার জানিয়েছেন, তিনি ফ্রাঞ্জ কাফকা এবং নুট হ্যামসুনের লেখার গুণমুগ্ধ ভক্ত। তিনি সবসময় এই লেখকদের সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করেছেন।
উল্লেখ্য, আইরিশ নাট্যকার এবং উপন্যাসিক স্যামুয়েল বেকেট ১৯৬৯ সালে নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন। ‘ওয়েটিং ফর গডো’ বেকেটের লেখা সাড়া জাগানো একটি অ্যাবসার্ড নাটক।
এদিকে ইয়োন ফসে ২০২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাট্যকারদের একজন। তার প্রথম উপন্যাস ‘রেড, ব্ল্যাক’ ১৯৮৩ সালে এবং প্রথম নাটক ‘অ্যান্ড উই উইল নেভার বি পার্টেড’ ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। বিশ্বের ৪০টির বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে তার রচনা। তার নাটকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ‘সামওয়ান ইজ গোয়িং টু কাম হোম’, ‘অ্যান্ড উই উইল নেভার বি পার্টেড’, ‘আ সামারস ডে’, ‘স্লিপ মাই বেবি স্লিপ’, ‘শ্যাডোস’, ‘উইন্টার’, ‘বিউটিফুল’ ইত্যাদি। তাকে অনেকেই একালের ইবসেন বলেন, আবার কেউ কেউ একবিংশ শতকের বেকেট বলেও অভিহিত করেন।