Travel

আমি গেছি দার্জিলিং ঘুরতে।

June 28, 2026

145 views

আমার নাম রোহান। আমি সবেমাত্র নবম শ্রেণীতে অধ্যায়ন করছি। আমি পড়াশোনা শেষে এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াতে যেতে পছন্দ করি। আমি প্রায় আমার আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে যাই।বন্ধু বান্ধবের বাসায় যাই। তাদেরকেও আমার বাসায় দাওয়াত করি। দেশের প্রায় অনেক জায়গায় আমি আমার পরিবার সহ ভ্রমণ করেছি। এখন আমি ইন্ডিয়ার দার্জিলিং ভ্রমণ করতে চাই। তাই আমি আমার বাবাকে বললাম  যথাসাধ্য ব্যবস্থা করুন। আমার বাবা বললেন আমার পক্ষে এই মুহূর্তে  বিদেশ যাওয়ার মত কোন টাকা পয়সা নেই। আর না আমার রোজগার তো এমন রয়েছে যে আমি তোদের ঠিকমতো আবদার পূরণ করতে পারি না। বাবা তুই তো জানিস আমাদের অবস্থা কেমন।তাহলে এখন তুই বুঝ আমি তোকে কিভাবে এত টাকা যোগাড় করে দেব। আমি বললাম বাবা তোমার চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই। বাবা তুমি আমাকে মাফ কর তোমাকে এই কথা বলার জন্য। বাবা একদিন না একদিন আমি কোন না কোন ব্যবস্থা করে নেব। বাবা তুমি আমার উপর আস্থা রাখো। আমি তখন থেকেই একটা জব খুঁজতে শুরু করলাম। প্রায় অনেকদিন হলো কোন কাজ পায় না। হঠাৎ করেই মাথায় একটা দারুন সমাধান মিললো। আমি একদিন ভাবলাম আমার মা তো খুব ভালো রান্না করে। যদি আমি এগুলো ডেলিভারি দেওয়ার কাজ করি তাহলে কেমন হবে। এই ভেবে  কাজ করা শুরু করলাম। আমার মা যে যে আইটেম রান্না করত। তা হল দোকানে সবচেয়ে সেরা আইটেম। তার সাথে আমি একটা ছোট মদি দোকান দিলাম যাতে আমার ছোট ভাই চালাতো দেখাশোনা করত। এসব করে তাও আমাদের কিছুতেই হচ্ছিল না। তারপর আমি গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে একটা ভালো জব পেয়ে গেলাম। মাসে প্রায় সাড়ে তের হাজার টাকা ইনকাম। তাই আমি রান্নার দোকান ছেড়ে দিলাম। আমার   আম্মুকে বললাম যদি তোমার ইচ্ছে থাকে তাহলে তুমি কাপড় সেলাই দোকান দিতে পারো। আমার আম্মু বলল খুবই লাভ হবে। কিন্তু বাবা আমি তো এসব কিছুই পাই না। আমি বললাম না তুমি চিন্তা করো না তো তুমি ট্রেলারের কাছে গিয়ে শিখবে। এবং পরে অন্যদের শেখাবে আর নিজেও কিছু টাকা ইনকাম করবে। আর তুমি যে দুজনের কাপড় যে ডিজাইনের কাপড় বানাবে তাতে আমাদের খুব লাভ হবে  এটা আমাদের বিশ্বাস। আমি বাবাকে বললাম আব্বু তুমি আর  রিক্সা চালাও না। তুমি এখন থেকে সুপার মাল এ গিয়ে কাপড়ের ব্যবসা করবে। এটা আমাদের পরিবার কে   সচলতা রাখবে। এইতো তিন মাস পরে আমি ঘরে একজন ওয়াইফ কে নিয়ে আসলাম । তাকে বললাম তুমি শিক্ষিকার চাকরি কর তাতে তুমি দশ হাজার করে মাসে বেতন পাবে। সে বলল তুমি এতে রাজি এতে আমি অনেক খুশি। আমাদের সবার জন্য টাকা থেকে এখন সবাই মিলে দার্জিলিং যাওয়ার চাইতেও বেশি টাকা হয়েছে। তাই আমি আগামী মাসে দার্জিলিং যাওয়ার প্ল্যান করলাম। সবাই মিলে রওনা দিলাম দার্জিলিংয়ের উদ্দেশ্য। সেখানে গিয়ে দেখলাম কি অপরূপ দৃশ্য।  সূর্য যেন নতুন দৃশ্য ঢেউ তুলে। চারিদিকে কত সুন্দর পাহাড়।  পাহাড়ে  উঠতে ভয় পাচ্ছে আমার বউ আর ভাই।  এ দৃশ্য যেন সন্ধ্যা বেলায় মনোরম হয়ে ওঠে। প্রকৃতি সেই অনিন্দিতা সৌন্দর্য নিয়ে সবাই মিলে বাড়ি ফিরলাম। সেখান থেকে আমি কতই না খুশি। আমি ভ্রমন করতে বেশ পছন্দ করি।আমাদের সবারই উচিত ভ্রমণ করে মনে এক নতুন অভিজ্ঞতা  জন্মানো। আর নিজের ভ্রমণ স্বপ্নের জন্য  অটোর পরিশ্রম করা সবাই মিলে।

Picked up where you left off

Comments

    Please login to post comment. Login