বড় ভাই তার ছোট ভাই বোনদের কত আদর যত্নে বড় করে। বাবা ছোট ভাই কে কিছু কিনে দিতে গেলে যদি বলি বাবা আমাকে একটা কিনে দাও , তখন বাবা বলে তুই বড় হয়েছিস বড়োদের মেনে নিতে হয়। বড় ভাই চাকুরী করে টাকা রোজগার করে । নিজের থাকা-খাওয়া করে কিছু টাকা মাস শেষে হাতে থাকে। এই বাজারে কম বেতনের চাকুরী করে কতই বা সঞ্চয় করা যায়। ছোট ভাই বোনও দেখতে দেখতে বড় হয়ে গেছে। বাবার রোজগারও কম এই কম রোজগারে নিজের সংসার চালিয়ে আরো দুইটা ছেলে মেয়েকে পড়াশোনা করাতে বাবার হিমশিম খেতে হয়। তাই বড় ভাইকে নিজের সঞ্চয় এর কথা চিন্তা না করেই যা থাকে তাই দিয়েই ছোট ভাই বোনকে প্রতি মাসে খরচ দিতে হয়। অনার্স পর্যন্ত নিজের পড়াশোনার ইতি টানতে একরকম বাধ্য হই। এইভাবে চলতে চলতে নিজের বয়স ৩০ পেরিয়ে যায়, কিন্তু বড় ভাইয়ের দায়িত্ব বলে কথা। কিছুটা নিজের পছন্দে কিছুটা পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের তারিখ ঠিক করা হলো। বেশ ধুমধাম করে বিয়েও দিলেন বাবা। বিপত্তির শুরু এখান থেকেই। বিয়ে করেছো কিন্তু বউকে নিজের কাছে নিয়ে যেতে পারবে না,কেনোনা তোমার উপার্জন কম। এই কম উপার্জনে বউকে খাওয়াবে কি? কথা তো ঠিক এত কম উপার্জনে বউ নিয়ে ভাড়া বাসায় থেকে সংসার চালানো দায়। কিন্তু হ্যাঁ বউয়ের খরচ না চালাতে পারলেও তোমাকে ভাইয়ের খরচ ঠিকই চালাতে হবে। কারণ আমি এতদিন তোমাকে পড়িয়েছি এখন ছোট ভাইয়ের দায়িত্ব তোমার। দেখি তাতে যদি বাবার কষ্ট কিছুটা কমানো যায়। বউ আমার বাড়িতেই থাকে , তার তো খাবার খরচ আমাকে দিতে হয়না। তাই আমার কষ্টে উপার্জিত অর্থ ভাই এর পিছনেই ব্যয় করতে থাকলাম। ভাবলাম ভাই একদিন বড় হবে , অনেক টাকা উপার্জন করবে । আমি বিপদে পড়লে তো তার থেকে সাহায্য আশা করতেই পারি আমি।
— আরেকদিন সময় করে লিখব।---
বিঃদ্রঃ- জীবনের প্রথম লেখা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।