Posts

ফিকশন

প্রথম ট্রিলিনিয়ার এর গল্প

July 3, 2026

Md Josam

Original Author Md Shamim Skder

Translated by Md Shamim Skder

5
View

প্রথম ট্রিলিনিয়ার এর গল্প
১৯৭১ সালের ২৮ জুন, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়া শহরে জন্ম নেয় এলন রিভ মাস্ক। তার বাবা এরোল মাস্ক ছিলেন একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং ব্যবসায়ী, আর মা মেয়ে হাল্ডেম্যান মাস্ক একজন মডেল এবং ডায়েটিশিয়ান। পরিবারটি বাইরে থেকে দেখতে স্বচ্ছল মনে হলেও, ভিতরে ছিল অশান্তি। বাবা-মায়ের সম্পর্ক খারাপ ছিল। এলনের শৈশব কেটেছে ভয় এবং একাকিত্বের মধ্যে। বাবা প্রায়ই শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতন করতেন পরিবারের সদস্যদের উপর। এলন পরে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তার বাবা "ভয়ানক ব্যক্তি" যিনি মন্দ কাজ করতে সক্ষম। স্কুলে এলন বুলিংয়ের শিকার হতো। একবার সহপাঠীরা তাকে এত মারধর করে যে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় এবং কয়েকদিন পর্যন্ত বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়। সেই সময় তার মনে হতো, পৃথিবীটা খুব নিষ্ঠুর। কিন্তু বইয়ের জগতে সে পালাত। বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, ফ্যান্টাসি — "লর্ড অফ দ্য রিংস", আইজ্যাক অ্যাসিমভের "ফাউন্ডেশন" সিরিজ পড়ে সে স্বপ্ন দেখত মানুষকে অন্য গ্রহে নিয়ে যাওয়ার, ভবিষ্যত বদলে দেওয়ার।
কম্পিউটারের সাথে তার প্রথম পরিচয় ঘটে খুব ছোটবেলায়। ১২ বছর বয়সে সে নিজে একটা ভিডিও গেম তৈরি করে কম্পিউটার ম্যাগাজিনে বিক্রি করে দেয়। সেই গেমটা ছিল তার প্রথম সাফল্যের স্বাদ। কিন্তু বাড়িতে কম্পিউটার কেনার জন্যও তাকে লড়াই করতে হয়েছিল। বাবা প্রায়ই তার আগ্রহকে উপহাস করতেন। ১৯৮৮ সালে, মাত্র ১৭ বছর বয়সে এলন দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে কানাডায় চলে যায়। অ্যাপার্থাইডের বিরুদ্ধে তার তীব্র আপত্তি ছিল এবং সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তাকে ভয় দেখিয়েছিল। মায়ের কানাডিয়ান পাসপোর্টের সুবাদে সে সেখানে পা রাখে। প্রথম দিকে জীবন ছিল অত্যন্ত কষ্টের। ফার্মে কাজ করেছে, নানা ছোটখাটো চাকরি করেছে। কুইন্স ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শুরু করে, তারপর ১৯৯২ সালে ইউনিভার্সিটি অফ পেনসিলভানিয়ায় ট্রান্সফার নেয়। সেখানে ফিজিক্স এবং ইকোনমিক্সে ডাবল ডিগ্রি সম্পন্ন করে ১৯৯৭ সালে। স্ট্যানফোর্ডে পিএইচডি শুরু করেছিল, কিন্তু ইন্টারনেটের বিপ্লব দেখে মাত্র দুই দিন পর ড্রপ আউট করে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যায়।
১৯৯৫ সালে, তার ভাই কিমবালের সাথে মিলে প্রতিষ্ঠা করে জিপ২। এটা ছিল একটা অনলাইন সিটি গাইড এবং বিজনেস ডিরেক্টরি সার্ভিস, যা সংবাদপত্রগুলোকে ডিজিটাল যুগে সাহায্য করত। প্রথম দিকের দিনগুলো ছিল নরকের মতো। তাদের কোনো অফিস ছিল না, টাকা ছিল খুব কম। তারা অফিসের মেঝেতে ঘুমাত, সকালে জিমে গিয়ে শাওয়ার নিত। খাবারের জন্যও টানাটানি। ইনভেস্টরদের কাছে প্রেজেন্টেশন দিতে গিয়ে বারবার প্রত্যাখ্যান শুনতে হয়েছে। "এটা কোনো ব্যবসা নয়, পাগলামি" — এমন কথা শুনেছে অনেকবার। কিন্তু এলন এবং তার ভাই হাল ছাড়েনি। রাতের পর রাত কোডিং করে, প্রোডাক্ট উন্নত করে গেছে। ধীরে ধীরে কিছু ক্লায়েন্ট আসতে শুরু করে। ১৯৯৬ সালে মোহর ডেভিডাউ ভেঞ্চারস থেকে ৩ মিলিয়ন ডলার ইনভেস্টমেন্ট পায়। কিন্তু সাফল্যের পথে অনেক বাধা। কোম্পানির ভিতরে মতবিরোধ, প্রতিযোগিতা। অবশেষে ১৯৯৯ সালে কম্প্যাক জিপ২ কিনে নেয় ৩০৭ মিলিয়ন ডলারে। এলনের শেয়ার থেকে আসে প্রায় ২২ মিলিয়ন ডলার। ২৭ বছর বয়সে সে মিলিয়নিয়ার হয়ে যায়। কিন্তু এই টাকা তাকে আরামের জীবন দেয়নি। সে আরও বড় স্বপ্ন দেখত।
জিপ২-এর টাকা দিয়ে ১৯৯৯ সালেই এলন প্রতিষ্ঠা করে এক্স.কম — একটা অনলাইন ব্যাংকিং এবং ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস। তার লক্ষ্য ছিল ঐতিহ্যবাহী ব্যাংকিং সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করা। কিন্তু এখানেও শুরু থেকে সংঘাত। টিমের সাথে মতবিরোধ, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্টে সমস্যা। ২০০০ সালে এক্স.কম মার্জ হয় কনফিনিটির সাথে এবং হয়ে যায় পেপাল। পেপাল অনলাইন পেমেন্টের বিপ্লব ঘটায়, বিশেষ করে ইবেয়ের মতো প্ল্যাটফর্মের জন্য। কিন্তু এলনের জন্য এটা সহজ ছিল না। বোর্ড অফ ডিরেক্টরস তাকে সিইও পদ থেকে সরিয়ে দেয় যখন সে হানিমুনে ছিল। এটা তার জন্য বড় আঘাত ছিল। তবু ২০০২ সালে ইবেয় পেপাল কিনে নেয় ১.৫ বিলিয়ন ডলারে। এলনের অংশ থেকে আসে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এই সময় সে আমেরিকান নাগরিকত্বও পায়।
অনেকে এই টাকা নিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করত। কিন্তু এলনের মাথায় ছিল অন্য চিন্তা। মানুষকে মাল্টি-প্ল্যানেটারি বানানো, টেকসই এনার্জি, স্পেস ট্রাভেল। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করে স্পেসএক্স। লক্ষ্য: সস্তা এবং রিইউজেবল রকেট তৈরি করে মঙ্গলে মানুষ পাঠানো। প্রথম রকেট ফ্যালকন ১ তৈরিতে বিপুল খরচ। ইঞ্জিনিয়ারদের টিম জড়ো করা, টেস্টিং। প্রথম তিনটা লঞ্চ সম্পূর্ণ ব্যর্থ। একটা রকেট উড়তে না উড়তেই বিস্ফোরিত হয়, আরেকটা সমুদ্রে পড়ে ধ্বংস। প্রত্যেক ব্যর্থতার পর কোম্পানির টাকা শেষ হয়ে আসছিল। ইনভেস্টররা পিছু হটছিল। এলন নিজের পকেট থেকে টাকা ঢালতে থাকে।
একই সাথে ২০০৪ সালে টেসলা মোটরসে ইনভেস্ট করে এবং ২০০৮ সালে সিইও হয়ে যায়। টেসলার লক্ষ্য ছিল ইলেকট্রিক গাড়ি দিয়ে ফসিল ফুয়েলের উপর নির্ভরতা কমানো। কিন্তু প্রোডাকশন হেল হয়নি। প্রথম রোডস্টার গাড়ি তৈরিতে অনেক দেরি, খরচ বেড়ে যায়। মডেল এস-এর সময় উৎপাদন লাইনে বিপর্যয়। কোয়ালিটি কন্ট্রোল সমস্যা, সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়া। ২০০৮ সাল ছিল এলনের জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার সময়। স্পেসএক্স এবং টেসলা দুটো কোম্পানিই দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। চতুর্থ ফ্যালকন ১ লঞ্চের আগে আরেকটা ফেল হলে সব শেষ। এলনকে বন্ধুদের কাছ থেকে ধার করে টাকা জোগাড় করতে হয়। ব্যক্তিগত জীবনেও ধস নামে। প্রথম স্ত্রী জাস্টিন উইলসনের সাথে ডিভোর্স। তাদের প্রথম সন্তান নেভাদা মাত্র ১০ সপ্তাহ বয়সে সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিন্ড্রোমে মারা যায়। এই শোকের মধ্যে ডিভোর্সের কাগজপত্র। পরে টুইনস এবং ট্রিপলেটস — মোট পাঁচ সন্তান। ডিভোর্সের সময় এলনের মানসিক অবস্থা এত খারাপ ছিল যে সে বলেছিল, "আমি মৃত্যুর খুব কাছাকাছি ছিলাম।" সে সময় অনেক রাত সে কাউচে ঘুমিয়েছে, একা একা কাজ করেছে। শরীর ভেঙে পড়ছিল, মানসিক চাপ অসহ্য।
কিন্তু হাল ছাড়েনি। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্যালকন ১-এর চতুর্থ লঞ্চ সফল হয়। স্পেসএক্স বেঁচে যায়। নাসার সাথে চুক্তি আসে। টেসলা ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ায়। মডেল এস বাজারে আসে, যদিও প্রথম দিকে অনেক সমালোচনা এবং সমস্যা। ২০১০ সালে টেসলা পাবলিক হয়। স্টক প্রাইস উঠতে থাকে। স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ তৈরি করে, প্রথম বুস্টার ল্যান্ডিং সফল করে। ২০১২ সালে ড্রাগন স্পেসক্রাফট আইএসএস-এ ডক করে — প্রথম বেসরকারি কোম্পানি হিসেবে।
এরপরের বছরগুলোতে কষ্ট কমেনি। দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী তালুলাহ রাইলির সাথে বিয়ে, তারপর দুবার ডিভোর্স — সম্পর্কের উত্থান-পতন। গ্রাইমসের সাথে সম্পর্ক, আরও সন্তান। মোট ১৪টি সন্তানের বাবা হন এলন। কাজের চাপে স্বাস্থ্য খারাপ হয়, এক্সহস্টেশনের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। ২০২২ সালে টুইটার কেনেন ৪৪ বিলিয়ন ডলারে। এটা নিয়ে বিপুল সমালোচনা, কর্মী ছাঁটাই, আইনি লড়াই। কোম্পানিকে এক্স-এ রূপান্তর। নিউরালিঙ্ক, দ্য বোরিং কোম্পানি, xAI — প্রত্যেকটা উদ্যোগে নতুন চ্যালেঞ্জ। সমালোচকরা বলত, "এতগুলো কোম্পানি চালানো অসম্ভব।" কিন্তু এলনের ভিশন ছিল অটুট।
সাফল্য এসেছে ধাপে ধাপে। টেসলার ইলেকট্রিক গাড়ি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়। স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট দূরবর্তী এলাকায় যোগাযোগ বিপ্লব ঘটায়। স্পেসএক্স স্টারশিপের টেস্টিং করে। ২০২১ সাল থেকে এলন বারবার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় শীর্ষে আসেন। আর ২০২৬ সালের জুন মাসে স্পেসএক্স-এর আইপিও-র মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিনিয়ার হন। স্পেসএক্স-এর ভ্যালুয়েশন ২ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়, তার নিজস্ব নেট ওয়ার্থ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের উপরে উঠে। এই সাফল্যের পেছনে ছিল সেই ২০০৮ সালের অন্ধকার দিনগুলো, যখন সবকিছু শেষ হওয়ার মুখে ছিল।
এলনের জীবন শুধু ব্যবসার গল্প নয়। এটা অধ্যবসায়ের, ব্যর্থতা থেকে উঠে আসার। তিনি বলেন, "যদি কোনো জিনিস গুরুত্বপূর্ণ হয়, তাহলে সম্ভাবনা যত কমই হোক না কেন, চেষ্টা করে যেতে হবে।" তার কষ্টের দিনগুলো — শৈশবের নির্যাতন, বুলিং, প্রথম কোম্পানির সংগ্রাম, ২০০৮-এর দেউলিয়াত্বের আশঙ্কা, ব্যক্তিগত জীবনের ভাঙন — সবকিছু তাকে শক্তিশালী করেছে। আজ তিনি মানুষকে অনুপ্রাণিত করেন মঙ্গলে যাওয়ার স্বপ্ন দেখাতে, টেকসই এনার্জি ব্যবহার করতে, ভবিষ্যতকে বদলাতে। প্রথম ট্রিলিনিয়ারের এই গল্প চিরকাল মনে রাখার মতো। এটা দেখায়, স্বপ্ন যদি বড় হয়, তাহলে কষ্টও বড় হবে, কিন্তু সাফল্যও অসীম।
এলনের শৈশবের আরও গভীরে গেলে দেখা যায়, কীভাবে একাকিত্ব তাকে চিন্তাশীল করে তুলেছিল। বাবার বাড়িতে থাকার সময় সে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বই পড়ত। কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখতে গিয়ে নিজে নিজে শিখেছে। কানাডায় যাওয়ার পর প্রথম শীতে তীব্র ঠান্ডায় কাজ করতে হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ও টাকার টানাটানি। জিপ২-এর সময় একবার ইনভেস্টর মিটিংয়ে তার প্রেজেন্টেশন এত খারাপ হয় যে প্রায় ফান্ডিং হারাতে বসেছিল। পেপালে সিইও পদ হারানোর পর সে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে, ভবিষ্যতে নিজের ভিশন ছাড়বে না।
স্পেসএক্সের প্রথম ফ্যাক্টরিতে কাজের পরিবেশ ছিল কঠিন। ইঞ্জিনিয়াররা দিনরাত পরিশ্রম করত। প্রথম লঞ্চ ফেলের পর এলনের চোখে জল চলে এসেছিল বলে শোনা যায়। টেসলায় ২০০৮-এ যখন প্রায় শেষ, তখন তিনি একই দিনে দুই কোম্পানির মিটিং করে বেড়াতেন। বাড়িতে ফিরে একা বসে ভাবতেন কীভাবে সব বাঁচাবেন। তার দ্বিতীয় বিয়ের সময়ও কাজের চাপ এত ছিল যে সম্পর্ক টিকতে পারেনি। গ্রাইমসের সাথে সম্পর্কের সময়ও একই। সন্তানদের সাথে সময় কাটানোর জন্যও তাকে লড়াই করতে হয়।
কিন্তু প্রত্যেক ব্যর্থতার পর তিনি শিখেছেন। রকেট ল্যান্ডিংয়ের বারবার চেষ্টা, টেসলার প্রোডাকশন লাইন অটোমেশনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা। ২০১৮ সালে মডেল ৩-এর "প্রোডাকশন হেল" থেকে বেরিয়ে আসা। স্টারলিঙ্কের হাজার হাজার স্যাটেলাইট লঞ্চ। প্রত্যেকটা মাইলফলকের পেছনে ছিল অসংখ্য রাতের ঘুমহীনতা, সমালোচনা সহ্য করা।
২০২৬ সালে স্পেসএক্স আইপিও-র দিন যখন স্টক দাম উড়ছে, এলনের মনে নিশ্চয় সেই পুরনো দিনগুলো ভেসে উঠেছিল। যখন তিনি প্রায় সবকিছু হারাতে বসেছিলেন, তখন থেকে আজকের এই উচ্চতা। বিশ্বের প্রথম ট্রিলিনিয়ার হওয়া শুধু টাকার অঙ্ক নয়, এটা মানবজাতির ভবিষ্যতের প্রতি তার অবিরাম বিশ্বাসের ফল। তিনি এখনো বলেন, আমাদের সূর্যের আলো ছাড়িয়ে যেতে হবে, মঙ্গলকে বাসযোগ্য করতে হবে।
এই গল্পটা শুধু একজন মানুষের নয়, এটা অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প। কষ্টের যে দিনগুলো তাকে গড়ে তুলেছে, সেগুলোই তাকে অজেয় করেছে। যারা স্বপ্ন দেখে, তারা জানে — পথ কখনো সহজ নয়, কিন্তু শেষে পুরস্কার অমূল্য। এলন মাস্কের জীবনযাত্রা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে বলবে, হাল ছেড়ো না, লড়ে যাও। প্রথম ট্রিলিনিয়ারের এই অসাধারণ যাত্রা এভাবেই চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

🎉 ১ লাখ টাকা পুরস্কার জেতার সুযোগ!

আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। তারপর যেকোনো ভিডিওতে এই কমেন্টটি করুন:

🔗 https://youtube.com/@jaminatvmt
📝 @jaminatvmt

ধন্যবাদ ❤️

Comments

    Please login to post comment. Login