কথা কওনের স্বাদ—
কারোর জন্য কছু কথা জমিয়ে রাখছেন,তার সাথে শোধরাবেন বলে। তবে সময় এবং ব্যবস্থার জন্য কথা আর বলা হচ্ছে না।এদিকে তিল তিল কথা বেড়েই যাচ্ছে। তবে কথা ছাড়নের কোন উপক্রম হচ্ছে না।জমতে জমতে বুকের ভিতরে কথার পাহাড় হয়ে যাচ্ছে।দীর্ঘদিন কথা না হলে পাহাড় পাথরে পতিত। তখন কথা বলনের উপক্রম হয়। যখন কারোর সাথে অনেক অনেক কথা বলার থাকে।তখন তার সাথে কোন কথাই শোধরানো যায় না। মনে হয় সমস্ত কথা একটি পাথরে রুপ নিয়েছে। বুকের ভেতর যখন কথাগুলো পাথরের রুপ নেয়। তখন সাক্ষাতেই সব কথা টাস টাস করে কওন যায় না। তার জন্য বুকের ভেতর একটুখানি আঁচড় দিতে হয়। কথার আঁচড় হয় তার কত সব আবাস থেকে(চোখের স্পর্শ, মন সংযোগ,কখনো কখনো পাশে থাকার আস্থা)। আঁচড় দিয়ে কথার করতে হয় রূপান্তর। রূপান্তর সরূপ কথাগুলো ফিরে পায় প্রাণ। বুকের ভেতর যখন আস্ত প্রাণের দেখা মিলে।তখন হৃদয়ের সব শিখা নিচতেজ হয়ে ভেসে উঠে সুর আর সুর। অতিময় আনন্দের সুখ।
ওও আমার বুকধারার অতিময় প্রিয়সী তোমার জন্য বুকের ভেতর পাথর ধরেছি। বুকের ভেতর থাকা পাথর আমায় ওয়াটার টর্চারের মতো প্রতিনিয়ত ব্যাথা দিয়েই যাচ্ছে দিয়েই যাচ্ছে। তোমার সাথে কথা কওনের আক্ষাকা নেই, আগ্রহ নেই সাক্ষাতের। ওয়াটার টর্চার মতো যত্নণা আমায় তিল তিল করে নিচতেজ করতেছে। অমন যত্ননায় আমি মরতে বাধ্য। আমি মারা যাওয়ার অতি পূর্বেই আমায় কথা কওনে আঁচড় দিয়ো। আমার যত্নময়ী প্রাণের প্রয়সী আমি মরে যাওয়ার উপক্রম হইলে বুকের ভেতর পাথরের চাপ আড়কে ধরলে আমায় কথা কওনের আচড় দিয়ো, দিয়ো যত্না মুক্তের স্বাদ।এতে আমি তোমায় প্রতি আঁচড়ে দিবো জীবন ফেরতের প্রতিদান।