আঘাত এতটা ভয়ঙ্কর হয়!
শুধুই কি শব্দের আঘাত?
ধীরে ধীরে রক্তাক্ত হয়ে আসে
অবহেলিত সমগ্র চোখ।
হৃদপিণ্ডটা যেন খামচে ধরছে কেউ অনবরত—
প্রতিটি নিশ্বাসে
দম বন্ধ হয়ে আসার অভিযোগ।
বারবার এই বিস্মৃতি,
সে যাদুকরী, সে স্বপ্নচারিণী—
তুমিই যাকে নামে দিয়েছ “দেবী”,
তবে সে আরাধ্যা হবে না কেন?
দীর্ঘনিশ্বাসে প্রতিবার আঘাতগুলো
যেন সাধনার অস্ত্র হয়ে ওঠে।
অপেক্ষার অবসাদ নাকি
অবহেলার অতৃপ্তি—
এত কঠোর তাচ্ছিল্য!
দেবীরা কি এমনই পাষাণ হয়?
যে দেবীর চোখের আয়তনে
তুমি নিজেকে বিস্তৃত করো,
সে কি কখনো সেই রক্তাক্ত চোখ দেখে না?
এমনই হাজার প্রশ্ন।
সাধনায় থাকে যার কাজ,
প্রশ্ন করা কি তার সাজে?
সে জেনে গেছে—
সে সাধক।
সহজে যা মেলে, তা মেকি;
সাধনায় যাকে পাবে, সে-ই “দেবী”।
প্রেম প্রেম মনে হয়, তবু যেন তা নয়—
দেবী বাঁকা হেসে বলে,
“আঘাতেরও যে যোগ্য হতে হয়।”
5
View