আমি আর আমার বন্ধু হাঁটছিলাম, বেশ অনেকক্ষণ হলো। হঠাৎ একটাশব্দ— (ইসসসস...)
বন্ধু : ও, মনে হয় আবার এসেছে..
চলুন, শুরু থেকে বলি আপনাদের…
আমি তখন দশম শ্রেণিতে পড়ি। আমার নাম রাফি। থাকি ঢাকাতেই। আমার একজন খুবভালো বন্ধু আছে, ওর নাম কাফি। ওর সঙ্গে আমার শুধু নামেই নয়, বরং কাজেও বেশ মিল। দুজনের চিন্তাযেন একই বিন্দু থেকেশুরু হয় এবং একইবিন্দুতেই শেষ হয়।
আমরা প্রায়ই স্কুল পালিয়ে নিজেদের এলাকার বাইরে ঘুরতে যেতাম। কাফি ছিল বেশ বুদ্ধিমান একটি ছেলে। বলা যায়, কোনো কিছু ঘটার আগেই সে যেন বুঝতে পারত তার সঙ্গে কী ঘটতে চলেছে। শুনতে একটু অস্বাভাবিক লাগলেও, এটাই ছিল সত্য।
গল্পে আমি নিজেকে রাফি বলেই পরিচয় দেব।
একদিন কাফি রাফির বাসায় তাকে ডাকতে এলো। তাকে ডাকার পর রাফির মা বললেন, "রাফি তো অসুস্থ।ও আজকে স্কুলে যাবে না, বাবা।"
কারণ হিসেবে রাফির মা বললেন, "গতরাত থেকে নাকি রাফির শরীর বেশ খারাপ,জ্বর সঙ্গে বমিও আছে।"
কাফি ভাবল, তাহলে রাফির সঙ্গে একবার দেখা করে আসি।ঘরের ভেতরে ঢুকতেই কাফির নাকে একটি বাজেগন্ধ এলো, যেন পচা মাছের আঁশটেগন্ধ। ( বলে রাখাভালো, রাফি এবং কাফি—দুজনই বেশ ধনী পরিবারের ছেলে। )
রাফির বাসার একটু বর্ণনা দেওয়া যাক, তাদের বাড়িটি একটি দৃষ্টিনন্দন ডুপ্লেক্স। বাড়িতে সব সময় তিনজন কাজের লোক থাকেন। এছাড়া রাফির বাবা-মা এবং একজন কাকাও একই বাড়িতে থাকেন। রাফির বড় ভাই কয়েক দিন হলো বিদেশে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরেছে।
রাফি আর কাফি—দুজনই ছিল বেশ সুদর্শন। তাদের শরীর ছিল সুঠাম, গায়ের রঙ ছিল উজ্জ্বল ফর্সা।প্রথম দেখাতেই যেকারও চোখে তারা আলাদা করে ধরা পড়ত।
যাই হোক, এবার মূল ঘটনায় ফিরে আসি,
কাফি রাফির ঘরে প্রবেশ করতেই রাফি হঠাৎ চিৎকার করে উঠল, বলতে লাগল, 'ও এখানে কেন...?'