রায়ান আর রিটার মধ্যে বেশ একটা বন্ধুত্ব হয়ে গেলো। ওরা সারাদিন এদিক ওদিক দৌড়চ্ছে, রায়ান রিটাকে প্রজাপতি দেখায়, তার প্রিয় ফুল দেখায়, স্কুলের নানা গল্প শোনায়। রিটা চুপচাপ ওর গল্প শোনে আর মাঝে মাঝে রায়ানের চঞ্চলতায় বিহ্বল হয়ে আপনমনে হাসে। লরাদের বাসায় রায়ানের বাবা রিচার্ডের প্রায়ই আসা হয় কারণ সে এ শহরেরই একটি কলেজের প্রফেসর। এমনকি এই বাসায় তার জন্য আলাদা রিডিং রুমও রয়েছে।