গত পর্বে - গরম চায়ে আফরিনের হাত পুড়ে যায় আর কাচে তার হাত কেটে যায়, মানে একেবারে ক্ষতবিক্ষত অবস্থা।
চিৎকার চেঁচামেচি শুনে বাড়ির সবাই সেখানে উপস্থিত হয়।ঘটনা শোনার পর সবাই আফরিনকেই দোষারোপ করতে থাকে। তারা আফরিনের পোড়া হাতকে একপ্রকার এড়িয়ে চলে।পরে আরিয়ান এসে দ্রুত আফরিনকে ঘরে নিয়ে যায় এবং তার হাতে মলম লাগিয়ে দেয়। এতে তার মা শাহিনুর পারভিন বেশ রাগান্বিত হন। তিনি আরিয়ানকে ডেকে বলেন, “ আরিয়ান, তুই পুরুষ মানুষ হয়েও কি করে বউয়ের আচলের তলায় লুকিয়ে থাকছিস, তোর কি মানসম্মান নেই? তোর বাবাকে দেখ এখনো কেমন বীরপুরুষের মতো থাকেন। তার ছেলে হয়ে তুই এমন বউ- পাগলা কি করে হতে পারিস?” আরিয়ান কোনো উত্তর না দিয়েই ঘরে চলে যায়। গিয়ে আফরিনের পাশে বসে তার হাতটা আলতো করে চেপে ধরে বলে, “ আফরিন তুমি মন খরাপ করো না। ভাবি একটু ওরকমই। বাচ্চাকাচ্চা নাই তো তাই মেজাজা সবসময় খিটখিটে থাকে। তুমি একটু মানিয়ে চল, দেখবে আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে গেছে। ”
আফরিন মাথা নাড়ে। সে ভাবতে থাকে," যার এমন স্বামী আছে তার আর কি চাই।"
আরিয়ান তাকে বিশ্রাম নিতে বলে চলে যায়।
কিছুক্ষণ পরে ফারিদা এসে দেখে আফরিন শুয়ে আছে।
চলবে……..