মাইক্রোপ্লাস্টিকঃ এইটি হলো প্লাস্টিকের এমন এক কণা যার প্রস্থ এক ন্যানোমিটার থেকে পাঁচ মিলিমিটারের মধ্যে। বর্তমানে আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তার ৯৯% মাইক্রোপ্লাস্টিক, বাকি ০.০০১% ভালো কিছু পাওয়া যেতে পারে । তার মাঝে ও সন্দেহের চিহ্ন বিদ্যমান। তাহলে প্রশ্ন হলো কীভাবে মানুষ জীবনযাপন করবে? এই থেকে মুক্তির উপায় কি? মজার ব্যাপার হলো এই মাইক্রপ্লাস্টিক আমাদের শরীরে শোষণ করে নেয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু এই শোষণ ক্ষমতা ভালো কোন লক্ষণ নির্দেশ করে না। এইটি সৃষ্টি করে ভয়ংকর রোগ ক্যান্সার সহ নানা রোগ। বলা চলে শরীর হয়ে যায় এক রোগ থেকে অন্য রোগের কারখানা। আর বাংলাদেশের মত উন্নত দেশে এই সব রোগের চিকৎসার খরচ মিটাতে সাধারণ মানুষের পোহাতে হয় নান ভোগান্তি । তাহলে এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?
আসুন এই মাক্রোপ্লাস্টিকের ভয়াবহতা জেনে নি- প্রচীন মিশর সভ্যতা আজ বিলীন সিসা পোড়ানোর মাধ্যমে। কেননা তারা রান্নার কাজে, পানির পাইপ লাইন ইত্যাদি নানান কাজে সিসা ব্যবহার করতো। আর তাই সিসা বিষক্রিয়ার কারণে রোমের শাসকদের মানসিক দক্ষতা কমে গিয়েছিল। এর সাথে আমাদের দেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ব্যবহারের মিল খুঁজে পাওয়া যায়। বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণা থেকে জানা যায় আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সকল দ্রব্যাদি এখন মাইক্রোপ্লাস্টের কণায় ভরপুর। যা মানবদেহে সাময়িক শোষণ যোগ্য হলেও অদূর ভবিষ্যতে বিরাট ক্ষতির কারণ। বলা যেতে পারে একটি জাতি বিলীনের পূর্ভাবাস।
এর থেকে মুক্তির উপায় প্লাস্টিক ব্যবহার রোধ করা । প্লাস্টিক বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা। উন্নত দেশ গুলোর মত বর্জ্য নিষ্কাশনের বিভিন্ন উপায় বের করা। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা না ফেলা। প্লাস্টিক শোষণের ক্ষমতা আছে এমন প্রযুক্তি ব্যবহারে কাজ করা। বিশ্বের উন্নত দেশ গুলো আজ প্রযুক্তি নির্ভর । আমাদের দেশেও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই বিপুল সম্যসা সমাধান করা যেতে পারে বলে আশাবাদী ।