রয়ান চোখ খুলে দেখলো তার সামনে বিশাল সমুদ্র। আর সে পড়ে আছে বালির ওপর। বালি থেকে উঠে সে দেখলো তার শরীরে কোন জামা কাপড় নেই। সে পুরো নগ্ন। রয়ান দৌড়ে এ মাথা থেকে ও মাথা গেল। এটা সে কোথায় এসে পড়লো? এতো একটা দ্বীপ।
দ্বীপটার সামনের দিকে রয়েছে সারি সারি নারিকেল গাছ। আর ভেতরে পুরো জঙ্গল। জঙ্গল পেলে দেখা মিলবে ঝর্ণার পাশে রয়েছে একটা গুহা। যা রয়ান এখনও জানে না। ঝর্না পেরোলে দেখা মিলবে পাহাড়। যা কিনা এই দ্বীপটার সবচেয়ে বড় পাহাড়। পাহাড়ের উচু টপকিয়ে এর পেছনে কি আছে। তা কেউ জানে না।
রয়ান তার মাথার পেছনে হাত দিয়ে দেখলো সেখানে জমাট রক্ত বেধে আছে। তার মনে পড়ে গেল গতকাল যখন রাত ১২টা বাজে সে বাসায় ফিরছিল। তখন তার মনে হয় কে যেন তার পেছন পেছন আসছে। সে পিছন ফিরে দেখে কেউ নেই। কিন্তু যখনই বাড়ির গেটে ঢুকলো। তখন ই কে যেন পেছন দিক দিয়ে মাথায় বারি মারেআর সাথে সাথে অজ্ঞান হয়ে যায় রয়ান। চোখ খুলে দেখে সে এই নগ্নদ্বীপে এসে পড়েছে।
রয়ানের মাথা ব্যাথা করছিলো। তাই সে বালির মাঝেই শুয়ে থাকে। এদিকে সন্ধা পেরিয়ে রাত হয়ে এলো। রাতের সমুদ্র দেখছে রয়ান। এমন সময় নারকেল গাছের পেছন থেকে কিসের যেন শব্দ এলো। রয়ান পেছন ফিরে তাকালো। কে যেন দাড়িয়ে আছে নারিকেল গাছের পেছনে।তার ছায়া পড়েছে মাটিতে। রয়ান ভয়ে ভয়ে সেই নারকেল গাছের দিকে এগোচ্ছে। রয়ান বলল, কে? কে ওখানে? (কোন জবাব আসলো না)।
হঠাৎ, নারকেল গাছের পেছন থেকে একজন বেড়িয়ে এলো। রয়ান দেখতে পেল। একটা কিশোরী মেয়ে। লাল রংয়ের কোকড়ানো চুল। ফর্সা একটা মেয়ে নগ্ন দাড়িয়ে আছে তার সামনে।
(চলবে....)