কিশোরি মেয়েটি ইংরেজিতে বলল, কে তুমি?
রয়ান বলল, আমারো একই প্রশ্ন তোমার কাছে? কে তুমি?
কিশোরি মেয়েটার কোন লজ্জা নেই। রয়ান ভাবলো মনে হয় বিদেশি তাই এরকম।
রয়ান বলল, তুৃমি কোথাথেকে এসেছো?
কিশোরি মেয়েটি এবার হ্যান্ডশেক এর জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল, আমি আমিরিকান। আর তুমি?
রয়ান হ্যান্ডশেক করলো না। তার লজ্জা লাগছে। রয়ান বলল, আমি বাংলাদেশি। তবে এই জায়গাটার নাম কি বলতে পারো?
মেয়েটি বলল, না। আমি জানি না।
রয়ান বলল, তুমি এখানে কিভাবে এসেছো?
মেয়েটি বলল, আমি ঘুমিয়ে ছিলাম আমার রুমে। ঘুম থেকে উঠে দেখি এইখানে এসে পড়েছি। বায় দ্যা ওয়ে, আমার নাম লিনা এন্ডারসন। তুমি লিনা বলে ডাকতে পারো।
রয়ান বলল, ওকে লিনা। চলো! এখান থেকে বের হই।
লিনা বলল, এখান থেকে বের হওয়া যাবে না।আমরা এই দ্বিপে আটকা পড়েছি। আর আমি এখানে আজ ১বছর ধরে আছি। আমি এই দ্বিপ এর সব চিনি। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম। এই দ্বিপে বোধ হয় আমি একা। কিন্তু আজ তোমাকে দেখে খুব অবাক হলাম।
রয়ান এর খুব মন খারাপ হলো। তার ফোনটাও তার সাথে নেই। সে ভাবলো এখন বাসায় থাকলে সে কি করতো। সে সারাদিন ফোন টিপতো। এজন্য তার মা তাকে অনেক বকাঝকা করতেন। রয়ান তার মাকে মিস করছে।
এর মধ্যেই দেখতে দেখতে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। প্রথমে ফোটা ফোটা বৃষ্টি। তারপর আস্তে আস্তে বাড়তে লাগলো। এক পর্যায়ে ঝড় শুরু হয়ে গেল। লিনা এই ঝড়ের মধ্যে রয়ান কে নিয়ে পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নিল। এই গুহার সামনেই রয়েছে বিশাল ঝর্না।
(চলবে....)