" দোস্ত! ওই গে টায় আমাকে খেয়ে দিছে। আমার সাথে ওরা গ্যাংব্যাং করছে। "
নিয়ামত কথাটা বলে তার পেছনে হাত দিয়ে রেখেছে। সে সোজা হয়ে দাড়াতেও পারছে না। রয়ান অনেক চেষ্টা করলো হাসবে না। তারপর ও নিয়ামতের কথা সে হেসে ফেললো। হাসতে হাসতে বলল, সরি। দোস্ত। আমার হাসা উচিত না, তবুও কেন জানি আমার হাসি পাচ্ছে।
নিয়ামত অনেক কষ্টে সোফায় বসলো।তারপর রয়ানকে বলল, তুই বলে লিনাকে চিনিস না?
রয়ান বলল, হ্যা। লিনা আবার কে?
নিয়ামত বিরক্ত হয়ে বলল, ঢং করিস না। লিনার সাথে আমার কথা হয়েছে রাস্তায়।
রয়ান মনে মনে জানতে চায়। কি কথা হয়েছে। কিন্তু মনের কথা প্রকাশ করে না। তারপর নিয়ামত বলতে থাকে।
নিয়ামত: প্রথম দেখাতেই লিনা আমাকে চিনতে পারেনি। পরে বললাম আমি রয়ানের বন্ধু। তারপর চিনেছে। আমি বললাম, ভাবি আপনাকে নিয়ে একটা গান বানিয়েছি। লিনা বলল, কি গান?
পরে নিয়ামত তাকে বাংলায় গানটা বলে, ভাবি ভাবি ভাবি। তোমার নাভির.....
আমরা তোমার দেবর, তুমি সবিতা ভাবি।
লিনা হাসতে হাসতে বলে, এই গানের অর্থ কি?
নিয়ামত বলে, আমি ইংরেজিতে খুব কাচা। তাই বলতে পারলাম না। রয়ান জিজ্ঞাসা করবেন।
রয়ান নিয়ামতের কথা শুনে খুব রেগে যায় আর নিয়ামতের মুখে ঘুষি মেরে বসে। নিয়ামতের ঠোট কেটে রক্ত বের হয়। সেই রক্ত আঙুল দিয়ে রয়ানকে দেখিয়ে বলে, তুই যে লিনাকে এখনো ভালোবাসিস। তা আমি জানি। না হলে লিনার ব্যাপারে খারাপ কথা বলায় রাগ করতি না। নিয়ামত (ইমোসনাল হয়ে বলে), আজ একটা মেয়ের জন্য তুই আমাকে ঘুষি মারলি?
পরেরদিন সকালবেলা নিয়ামত আর রয়ান আবার স্কুলে যায়। আজ লিনা স্কুলে আসেনি। এজন্য রয়ানের মন ছটফট করতে থাকে। তাকে একনজর দেখার জন্য। ক্লাস ছুটি হতেই রয়ান ছুটতে থাকে। দৌড়াতে দৌড়াতে সে চলে আসে লিনার বাসার সামনে। বাসার সামনে এসে যখনই কলিংবেলে টিপ দিতে যাবে। তখন ই রয়ানের হাত কাপতে থাকে। তবুও সে কলিংবেলে চাপ দেয়। আর দাড়িয়ে থাকে দরজা খোলার অপেক্ষায়।
(চলবে.....)