এই ডার্কওয়েবের মুখোশের আড়ালে তাদের সাথে এতো বড় গেম কে খেললো?
এটা ভাবতে ভাবতেই ঘুম থেকে জেগে বসে পড়ে রয়ান। সকাল হয়ে গেছে। এখন আবার স্কুল যেতে হবে তাদের।
স্কুলে কোন ক্লাসেই রয়ানের মন বসে না, তার মন পড়ে আছে ডার্কওয়েব নিয়ে। ব্যাপারটা তাকে টানছে নিজের দিকে। ক্লাস শেষ হওয়ার পর সে যখন বাসায় আসার জন্য রওনা দিয়েছে। (তার সাথে নিয়ামত নেই। কারন নিয়ামতের শরীর অসুস্থ। সে বাসায় শুয়ে আছে।)
রয়ান রাস্তা দিয়ে হাটছে। আর ভাবছে তাকে কে মাথায় পেছনে বারি মারে? তারপর কে তাকে নগ্নদ্বীপ ছেড়ে আসে? আর কেন ই বা আবার ৭দিন পর তাকে ঘরে রেখে যায়? এসব ভেবে রয়ানের মাথা ব্যাথা করতে শুরু করে।
আজও তাকে লিনার বাড়ির সামনে থেকেই চলে যেতে হলো। কারন লিনা অসুস্থ (তার পিরিয়ড চলছে। তাই সে স্কুল যেতে পারছে না।)।
রয়ান মন খারাপ করে হাটছে মাথা নিচু করে। এমন সময় তার পাশে এসে দাড়ালো। আর তার সাথে পাশাপাশি হাটতে লাগলো নাতাসা নাইস (আমেরিকান) [রয়ানের ক্লাসমেট]। রয়ান তার নাম জানে না। তবে কয়েকদিন লক্ষ্য করেছে ক্লাসে মেয়েটা পলকহীনভাবে তার দিকে চেয়ে থাকে। রয়ান বুঝেও না বোঝার ভান করেছে। আর এখন মেয়েটা তার পাশাপাশি হাটছে।
নাতাসা বলল, কি হয়েছে? আপনার কি মন খারাপ?
রয়ান বলল, না। তেমন কিছু না।
নাতাসা এবার হ্যান্ডশেক এর জন্য হাত বাড়ায়। রয়ান হ্যান্ডশেক করলো।
নাতাসা বলল, আমরা কি বন্ধু হতে পারি?
রয়ান বলল, আমরা তো আগে থেকেই বন্ধু। আমি তো আরো বেশি কিছু আসা করেছিলাম।
নাতাসা বলল, তাহলে আমার বাসায় চলো।
একদিকে লিনা রয়ানকে ছেড়ে গেছে। আবার তার বন্ধু নিয়ামত ও অসুস্থ। তাই রয়ান ভাবলো এর সাথে টাইমপাস তো করাই যায়।
নাতাসা মেয়েটার সাস্থ্য ভালো। মোটা শরীর। দেখতে ভালোলাগে। রয়ান বসে আছে নাতাসার রুমে। নাসাতা গোসল করতে গেছে। একটু পর গোসলখানা থেকে শরীরে টাওয়াল পেচিয়ে বের হলো নাতাসা। তারপর রয়ানকে বলল, সরি। তোমাকে এতোক্ষন বসিয়ে রাখার জন্য। কথাটা বলার পর পিছনে ঘুরে টাওয়াল খুলে ফেলল। এখন রয়ান চাইলেই তার পিঠ দেখতে পারবে। কিন্তু রয়ান নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। নাতাসা জামা পড়লো।
নাতাসা বলল, রয়ান আমি হুকটা লাগাতে পারছি না। আমাকে একটু সাহায্য করো। (নাতাসার মনে কুবুদ্ধি। সে রয়ানের সাথে শুতে চায়।)
রয়ান তার হেল্প করতে যাবে। তখনই নাতাস তার ব্রা নিচে ফেলে দিল। তারপর রয়ানের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে তাকে খাটে ফেলে দিল আর রয়ানকে কিস করতে থাকলো। রয়ানও তাকে কিস করতে থাকলো।
(চলবে....)