রয়ান বসে বসে ভাবছে। উত্তেজনার বসে এটা করা তার ঠিক হয়নি। সে তো তাহলে লিনাকে ধোকা দিচ্ছে। তারপর ই তার মনে হলো যে লিনা তো তাকে ধোকা দিয়েছে।
রয়ান বলল, আমরা তো প্রটেকসন ব্যবহার করিনি, যদি কিছু হয়ে যায়?
নাতাসা জামা পড়তে পড়তে বলে, ভয় নেই। আমি পিল খেয়ে নিবো।
৫দিন পর: (এই ৫দিন রয়ান ভয়ে স্কুলে যায়নি। এটা ভেবে যে লিনাকে সে কিভাবে মুখ দেখাবে। কিন্তু তার মনে পড়লো। লিনা তো এসব জানেই না।)
রয়ান স্কুলের জন্য রেডি হলো। নিয়ামতকে বলল, স্কুল যাবি না?
নিয়ামত বলল, না। তুই যা। আজ আমার ডেট আছে।
রয়ান বলল, খবরদার। ঘরে কোন মেয়ে আনবি না।
রয়ান ক্লাস করছে। নাতাসা তাকে কথা বলার জন্য সিগন্যাল পাঠাচ্ছে। যা রয়ান পুরোপুরি এড়িয়ে যাচ্ছে। যেন সে নাতাসাকে চিনেই না।
এমনকি রয়ান লিনাকে এড়িয়ে চললো। তার দিকে তাকালো ও না।
ক্লাস শেষে রয়ান বাসার দিকে যাচ্ছিল। এমন সময় তার পেছনে দৌড়ে আসে লিনা। এসে পাশাপাশি হাটতে থাকে। দুজনই চুপ। কেউ কোন কথা বলে না।
তারপর নীরবতা ভেঙ্গে লিনা বলে, সরি! রয়ান। আমার ভুল হয়ে গেছে। আমাকে ক্ষমা করে দাও। স্মিথ ভালো ছেলে না। গতকাল তাকে আমি অন্য একটা মেয়ের সাথে শুতে দেখেছি। কথাটা বলেই কেঁদে ফেলে লিনা।
এবার রয়ানের মায়া হয়। রয়ান লিনার চোখের জল মুছে তাকে বুকে জড়িয়ে নেয়। এসব দৃশ্য দুর থেকে দেখে ফেলে নাতাসা আর কাদতে কাদতে সেখান থেকে চলে যায়।
এবার রয়ান লিনাকে নিজের থেকে ছাড়িয়ে হাটু গেড়ে বসে আর বলে, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?
লিনা খুশিতে লাফাতে থাকে। তারপর বলে, হ্যা। করবো।
রয়ান এবার লিনাকে জড়িয়ে ধরে ঠোটে চুমু খায় আর বলে, তাহলে আগামীকাল ই তোমাকে বিয়ে করে। আমি বাংলাদেশ নিয়ে যাবো।
এখানে রয়ান সেই ডার্কওয়েবে একজন হ্যাকারকে ভাড়া করে। যেকিনা তাকে বলবে 'নগ্নদ্বীপ' শো টা আসলে কার? এজন্য হ্যাকার ২ দিন সময় নিয়েছে। আাগামীকাল ই হ্যাকার রয়ানকে জানাবে যে এসবের পেছনে আসল মাস্টারমাইন্ড কে?
(চলবে...)