( আজ রয়ানের বাসর রাত)
লিনা বাঙালি মেয়েদের মতো ঘোমটা দিয়ে বসে আছে। রয়ান ঘরে ঢুকলো। সে লিনার পাশে বসলো। লিনা ঘোমটা ফেলে দিয়ে বলল, কি সব বাঙালি কালচার। আমার ভালোলাগে না। ঘোমটা দিয়ে বসে থাকতে থাকতে ঘামিয়ে গেছি।
কথাটা বলে লিনা তার বিয়ের জামা খুলতে লাগলো। রয়ান তার চোখ হাত দিয়ে ঢেকে বলল, এখন না লিনা। আগে নিজেদের মধ্যে কথা বলে নেই।
লিনা এখন শরীরে একটুকরো ও জামা নেই। লিনা বলল, নগ্নদ্বীপে তো নগ্ন ই ছিলাম। এখন তো আমাদের বিয়ে হয়ে গেছে। বিয়ের পর ও লজ্জা পেলে হবে রয়ান। এসো। খেলা শুরু করি। কথাটা বলে লিনা রয়ানের দিকে এগিয়ে যায়। রয়ান ভয়ে কাপতে থাকে। আর মনে মনে দোয়া পড়তে থাকে। এমন সময় দরজায় টোকা পড়লো। কে এসেছে?
রয়ান দরজা খুলে দেখে নিয়ামত বাইরে দাড়িয়ে আছে। রয়ান বলল, এখানো কি চাস?
নিয়ামত বলল, আরে। খেলা শুরু কর না বাল। কতক্ষন আর দরজায় কান দিয়ে দাড়িয়ে থাকবো।
রয়ান বলল, যা। তুই ঘুমা গিয়ে।
নিয়ামত বলল, এই নে এটা রাখ। কাজে দিবে।
রয়ান বলল, এটা কি?
নিয়ামত তার কানে কানে বলল আর রয়ান বুঝে গেল।
রয়ান বলল, ছি:! এটা কেন দিলি?
দরজা লাগিয়ে আবার লিনার পাশে বসলো রয়ান। তারপর বলল, দেখো লিনা। আমি আগে কখনো এসব করিনি। কিভাবে করতে হয়। তাও জানি না। তো আমার একটু সময় লাগবে।
কথাটা শুনে লিনা বলে, আমি তোমাকে শিখিতে দিচ্ছি। কিভাবে করতে হবে। কথাটা বলে রয়ান ওখানে হাত দেয়। রয়ান ভয় পেলে বলে, ওকে। তুমি যা বলবে। তাই।
সকালে রয়ান দেখে তার শরীরে একটুও শক্তি নেই। সে কোন মতে উঠে। লিনা এখনো ঘুমিয়ে আছে। রয়ান লিনার জন্য রান্না ঘরে চা বানাতে যায়। তখনই নিয়ামত আসে রান্না ঘরে।
নিয়ামত বলল, দোস্ত। বিড়াল মেরেছিছ। তো?
রয়ান বলল, আমি কি বিড়াল মারবো? বিড়াল উল্টো আমাকে মেরে দিয়েছে।
নিয়ামত হেসে বলল, তা তো দেখাই যাচ্ছে। তোর পুরো শরীরে লিপস্টিক এর দাগ। আর কে যেন কামড় ও দিয়েছে।
রয়ান বলল, কানের সামনে বকবক না করে কাজ করতে দে।
নিয়ামত বলল, এখন তো বউ পেয়ে আমাকে ভুলে যাবি।
রয়ান বলল, এমন কিছু না।
তার চা বানানো শেষ। রয়ান চায়ের কাপ হাতে নিয়ে লিনার সামনে দাড়ায়। লিনাকে দেখে তার ঘুমন্ত রাজকন্যা মনে হয়। সে লিনার কপালে চুমু খায়। আর চায়ের কাপটা টেবিলে রেখে গোসল করতে যায়।
(সমাপ্ত)