রাত প্রায় বারোটা,
ঘড়ের বাতি জ্বলছে।
মেয়েটি বার বার ফোনের স্ক্রিনটা দেখছে।কোন মেসেজ নেই,কোন কল নেই।
সে ফোনটা পাশে রেখে নিজেকেই বললো,,
“আমি কি সত্যি একা?”
আবার,কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর আয়নার সামনে দাঁড়ালো সে।
আয়নায় নিজের চোখের দিকে তাকিয়ে হটাৎ মনে হলো….
“মানুষের অভাবেই আমি একা”
না।
কখনো কখনো চারপাশে অনেক মানুষ থাকে,
তবুও,ভেতরটা ভিষন ফাঁকা লাগে।
কারো সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে না,আবার চুপ থাকতেও ভালো লাগে না।
হাসতে ইচ্ছা করে না।
কাঁদলে ও যেনো কান্নাটা শেষ হয়না।
এই জায়গাতেই আমাদের একটু থামতে হয়।
কারন একাকিত্বকে আমাদের দুর্বলতা ভাবা ঠিক নয়।
কখন কখনো একাকিত্ব আমাদের মনের একটা সিগন্যাল,,,, “আমার একটু যত্ন দরকার”
সেদিন মেয়েটা কাওকে ফোন করেনি।
প্রথমবার, নিজের কাছেই একটা প্রশ্ন করেছিলো,,,
"আমি অন্য সবার খোঁজ নিই….
কি৬নিজের খোঁজ টা কি কখনো নিয়েছি?"
সে জানালা খুলে দিল।
বাইরে তখনও রাত।
কিন্তু তার মনে হলো,
রাতটা আর আগের মতো অন্ধকার নেয়।
কারন সে বুঝে গেছে,,,
একা থাকা সমস্যা নয়।
নিজের ভেতরের কষ্টকে একা একা বয়ে চলাটায় সমস্যা।
আর যদি কখনো মনে হয়,
“কাওকে আমার কথাগুলো বলতে ইচ্ছে করছে”…
তাহলে বলুন।
বিশ্বাসের একজন মানুষের সাথে।
প্রয়োজনে,,পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য সেবা দান করে এমন কারো সাথে।
কারন….
মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নেওয়া বিলাসিতা নয়।
এটাও নিজের প্রতি ভালোবাসা।