আরুন বলল, আমার বন্ধুর সাথে তোর শুতে হবে।
মাহি রেগে বলল, পারব না। আমি নিজের দেহ তোমাকে ছাড়া কাউকে দিতে পারব না।
আরুনের চোখে মুখে রাগ ও বিরক্ত। হাতে থাকা অর্ধেক জলন্ত সিগারেটে ঠোঁট লাগিয়ে ধোঁয়া নিল আরুন। নিজের রাগকে কন্ট্রোল করতে চাইছে। তবুও কি পারছে?
আরুন মাহির চুলগুলো পেছন থেকে বাম হাতে মুস্তিবদ্ধ করে মাহির চোখে চোখ রাখলো। মাহি ভয় পেয়ে গেল। মাহি দেখলো সিগারেট এর আগুনের মতো জ্বলছে আরুনের চোখগুলো। তবু ভয়টা প্রকাশ করলো না মাহি।
আরুন সিগারেট ঠোঁট নিয়ে ডান হাত দিয়ে চড় মারলো মাহির গালে।
মাহি ঠোঁটের হাসির রেখা ফুটে তুলেছে। অন্তরে তার তীব্র ঘৃনার জন্ম নিয়েছে।
আরুন বলল, আমার না শব্দ পছন্দ না।
মাহি বলল, কি না করছি তোমার জন্য। এখন তুৃমি আরো করতে বলছো। পরিবার ছেড়ে তোমাকে তোমাকে বিয়ে করলাম। এখন আমাকে এসব শুনতে হচ্ছে। নিজেকে বিলিয়ে দিতে হবে?
আরুন আরো রেগে গেল। ডান হাত দিয়ে ঠোঁটে থাকা সিগারেট টা ফ্লোরে ফেলে পা দিয়ে আগুন নেভায় আরুন।
আরুন বলল, এসব বলে লাভ নাই। (তারপর কি যেন বলতে গিয়েও আরুন থামায় নিজেকে। যেন তার ভেতরে কিছু একটা চলছে। তবে সেটা কী? মাহি তা বোঝে না)
আরুন বলল, তুই যদি আমাকে ভালোবাসিস। তাহলে এটা করতে হবে?
চোখে অশ্রু নিয়ে মাহি বলল, ভালোবাসা মানে তো এই না যে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া। আমি তো শুধু তোমাকে দিয়েছি শরীর মন অন্যকে কেন দিব?
আরুন রেগে দুইটা চড় বসায় মাহির গালে।
ঠোঁটে আঙুল রেগে আরুন বলে, চুপ। আমার সাথে লজিক দেখাবি না। লজিক আমার পছন্দ না। (তারপর দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকায়) ২ঘন্টা পর বিকেল ৫টায় আমার বন্ধু তানজু আসবে। আশা করি ওকে সেডিউস করতে পারবি।
মাহি এবার গম্ভীর হয়ে বলে, ঠিক আছে। তুমি যা চাও তাই হবে।
আরুন বিজয়ী হাসি নিয়ে বলে, গুড। আই লাভ ইউ।
তারপর যে গালে চড় দিয়েছিল সেখানে চুমু দিয়ে আদর করে দেয় নিজের বউকে। আদর পেয়ে মাহি ভুলে যায় তার সাথে একটু আগে কি হয়েছিল। মাহি আরুনকে বুকে জড়ায় নেয়।
আরুন ঠোঁটে হাসির রেখা ফুটে ওঠে।
#বিরহ
#পর্ব_০১
#রুদ্র_সিয়াম