নোবেলজয়ী জাপানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ সাহিত্যিক কাজুও ইশিগুরো তার পরবর্তী উপন্যাসের জন্য আবারও ১৯৩০ এর দশকের ইংল্যান্ডের প্রেক্ষাপট বেছে নিয়েছেন। ১৬ জুন যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রকাশনা সংস্থা ফেবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
'মিস ল্যামবার্ট স্টেপস অ্যাবোর্ড ডেঞ্জার' শিরোনামের এই বইটি মূলত একটি স্পাই বা গুপ্তচরবৃত্তির গল্প। এটি ২০২৭ সালের ৯ মার্চ প্রকাশিত হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এক বছর আগে অর্থাৎ ১৯৩৮ সালে লন্ডনে রহস্যময় একটি চরিত্র এবং একজন সঙ্গীত অনুরাগীর মধ্যে একটি সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে উপন্যাসটি গড়ে উঠেছে।
বইটির কেন্দ্রীয় চরিত্র রিচার্ড হ্যাডলি লন্ডনে একটি মিউজিক হলের এক অনুষ্ঠানে রহস্যময়ী 'মিস ল্যামবার্ট' এর মুখোমুখি হন তিনি। ঘটনাপ্রবাহে মিস ল্যামবার্ট তাকে জানান যে, তিনি এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে আছেন। প্রকাশকের মতে, বইটি গুপ্তচর উপন্যাসের রোমাঞ্চ এবং বিখ্যাত লেখক পি.জি. উডহাউসের রসবোধ ও বুদ্ধিমত্তার এক দারুণ মিশ্রণ।
এই বইটি ইশিগুরোর নবম উপন্যাস। এর আগে তার উপন্যাস ‘দ্য রিমেইন্স অব দ্য ডে’ এর প্রেক্ষাপটও ছিল দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী ইংল্যান্ড। এই উপন্যাসের জন্য ১৯৮৯ সালে তিনি বুকার প্রাইজ পান।
এদিকে ফেবার পাবলিশিং এর পরিচালক অ্যাঙ্গাস কারগিল বলেছেন, সংগীত, শিল্পকলা এবং স্বর্ণযুগের সিনেমার প্রতি তার ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে লেখা এই উপন্যাসটি ইশিগুরোর সৃষ্টিকর্মে একটি চমৎকার নতুন সংযোজন।
উল্লেখ্য, কাজুও ইশিগুরো ১৯৫৪ সালে জাপানে জন্মগ্রহণ করেন এবং পাঁচ বছর বয়সে ব্রিটেনে চলে যান। তিনি ২০১৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। ২০০৫ সালে প্রকাশিত তার ‘নেভার লেট মি গো’ একটি ডিস্টোপিয়ান সায়েন্স ফিকশন। বেস্টসেলার এই বইটি বুকার প্রাইজের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিল। তার উল্লেখযোগ্য অন্যান্য বই হলো, ‘দ্য বারিড জায়ান্ট’, 'ক্লারা অ্যান্ড দ্য সান', 'দ্য আনকনসোলেড', 'আ পেল ভিউ অব হিলস'।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান