চারপাশ নিশ্ছিদ্র অন্ধকার। আজরাইল কি তবে শিঙ্গায় ফুঁক দিছিলো? মাথা, ঘাড়, হাত-পা—নিজের শরীরের কোনো অঙ্গেরই ঠিকঠাক অস্তিত্ব টের পাইতেছে না রায়েদ। বহু দূর থেকে ভেসে আসতেছে লক্ষ মানুষের আহাজারি আর সাইরেনের শব্দ। এটা কি কোনো দুঃস্বপ্ন, নাকি সত্যিই নাইমা আসছে কেয়ামত? রায়েদ যখন নিজের ক্ষতবিক্ষত ডান হাতটার দিকে তাকানোর চেষ্টা করে, তখন এক চরম সত্যের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। এই নরকযন্ত্রণা থেকে কি আদৌ মুক্তি মিলবে তার?